পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ট্রাম্পের সফর শেষ হলেই  ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে Britain। বলা বাহুল্য, বর্তমানে সস্ত্রীক ব্রিটেনে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বিলম্ব করছেন তিনি। কারণ দর্শিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখনই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কে ফাটল ধরতে পারে। কারণ বর্তমানে তারা এই দেশেই রয়েছে।

তাই যুক্তরাজ্য সফররত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশে ফিরলে সপ্তাহান্তে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেবে ব্রিটেন। তবে ট্রাম্প এ সিদ্ধান্তের বিরোধী।

আরও পড়ুন: ‘ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে’ দাঁড়িয়েছে গাজার হাসপাতালগুলো: WHO chief

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, Britain-এর প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার অনেক আগেই ইসরাইলকে সতর্ক করেছিল। বলেছিলেন,  যদি  ইসরাইল গাজার মানুষের দুর্দশা কমানোর জন্য পদক্ষেপ না নেই, এবং এহেন অত্যাচার বন্ধ না করে তাহলে ব্রিটেন এহেন পদক্ষেপ নেবে। আর  প্রায় দুই বছর ধরে সেখানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল।

হামলা বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি'ও অমান্য করেছে।  ট্রাম্প তাঁর সফর শেষ করে আজ দেশে ফিরবেন। তাঁর দেশে ফেরার পর ব্রিটেন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে (Britain will recognise Palestinian state this weekend)।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী  কিয়ার স্টারমার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার (ফাইল ছবি: রয়টার্স) / puber kalom 

এই প্রসঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র বলেন, স্বীকৃতিটি দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের বাস্তবায়ন রক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে। ‘রাষ্ট্রত্ব ফিলিস্তিনিদের অবিচ্ছেদ্য অধিকার, এবং দুই-রাষ্ট্র সমাধানের বাস্তবায়ন রক্ষায় আমাদের এই অবিচ্ছেদ্য অধিকার স্পষ্টভাবে তুলে ধরা গুরুত্বপূর্ণ। ‘গত বছর আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে এবং স্পেনসহ ১৪৭টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।  আর ফ্রান্স আসন্ন রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।