১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১০ বছরের চেষ্টায় চিনে তৈরি করোনা ভাইরাস !

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ  করোনা ভাইরাস ‘মানুষের তৈরি ভাইরাস’ বলে জানিয়েছেন চিনের উহানের ল্যাবরেটরিতে কাজ করা এক মার্কিন বিজ্ঞানী। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, এ ভাইরাস তৈরিতে চিনকে বিপুল অর্থসহায়তা দিয়েছে মার্কিন সরকার।

 

আরও পড়ুন: world football: ২০২৬  ফুটবল বিশ্বকাপে ইসরাইলকে নিষিদ্ধের উদ্যোগ ঠেকাবে আমেরিকা  

ব্রিটিশ মিডিয়া ‘দ্য সান’-এ মার্কিন গবেষক অ্যান্ড্রু হাফ জানিয়েছেন, দু’বছর আগে চিন সরকার পরিচালিত উহানের ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি (ডব্লিউআইভি) থেকেই কোভিড ভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছিল। ‘দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট উহান’ বইয়ে অ্যান্ড্রু হাফ দাবি করেন, মার্কিন সরকার করোনা ভাইরাস তৈরি করতে চিনকে আর্থিক অনুদানও দিয়েছিল।

আরও পড়ুন: সিএএ-তে নাগরিকত্বের জন্য আবেদনের সময়সীমা ১০ বছর বাড়াল কেন্দ্র

 

আরও পড়ুন: আবারও ভয় ধরাচ্ছে করোনা

হাফের বইয়ের কিছু অংশ ‘দ্য সানে’ প্রকাশিত হয়েছে। সংক্রামক ব্যাধি নিয়ে কাজ করছে ‘ইকো হেলথ অ্যালায়েন্স’ নামে একটি নন-প্রফিট অর্গানাইজেশন। তারই ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু হাফ।

 

হাফ তাঁর বইয়ে দাবি করেন, এই ভাইরাস তৈরিতে ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে উহান গবেষণাগারে গবেষণা চালিয়েছিল মার্কিন সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ (এনআইএইচ)। আরও দাবি, উহানের ওই গবেষণাগারে উপযুক্ত সুরক্ষা ছিল না। তার জেরেই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে।

 

বায়োসেফটি, বায়ো সিকিউরিটি, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট নিয়ে বিদেশের ওই গবেষণাগারে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল না। উহান ল্যাব থেকে কোভিডের উৎপত্তি নিয়ে এখনও বিতর্ক রয়েছে। চিনা সরকারি কর্মকর্তা এবং ল্যাব কর্মীরা ভাইরাসটির উহানে উৎপত্তির কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন। দ্য সান পত্রিকায় হাফ বলেন, চিন প্রথম থেকেই জানত এটা জেনেটিক্যালি ইঞ্জিনিয়ার্ড এজেন্ট।

 

ভয়াবহ বায়োটেকনোলজিকে চিনে ট্রান্সফার করার জন্য মার্কিন সরকারকেও দায়ী করতে হয়। অ্যান্ড্রু হাফ তার বইয়ে বলেন, চিনের ওই গবেষণাগারে পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল না। যার ফলে শেষ পর্যন্ত ভাইরাসটি লিক হয়।  এর আগে চিনের উহান গবেষণাগার থেকেই করোনার জীবাণু ছড়ানো হয়েছিল কি-না, তা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

 

এর জন্য গভীরে গিয়ে তদন্তের প্রয়োজন বলে গত জুন মাসে একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছিল সংস্থাটি। তদন্তে চিন সাহায্য করছে না বলে দাবি করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

সন্দেহ বাংলাদেশি: অবৈধ বসবাসের অভিযোগে ১১ জন মহিলাকে আটক মহারাষ্ট্র পুলিশের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

১০ বছরের চেষ্টায় চিনে তৈরি করোনা ভাইরাস !

আপডেট : ৭ ডিসেম্বর ২০২২, বুধবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ  করোনা ভাইরাস ‘মানুষের তৈরি ভাইরাস’ বলে জানিয়েছেন চিনের উহানের ল্যাবরেটরিতে কাজ করা এক মার্কিন বিজ্ঞানী। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, এ ভাইরাস তৈরিতে চিনকে বিপুল অর্থসহায়তা দিয়েছে মার্কিন সরকার।

 

আরও পড়ুন: world football: ২০২৬  ফুটবল বিশ্বকাপে ইসরাইলকে নিষিদ্ধের উদ্যোগ ঠেকাবে আমেরিকা  

ব্রিটিশ মিডিয়া ‘দ্য সান’-এ মার্কিন গবেষক অ্যান্ড্রু হাফ জানিয়েছেন, দু’বছর আগে চিন সরকার পরিচালিত উহানের ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি (ডব্লিউআইভি) থেকেই কোভিড ভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছিল। ‘দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট উহান’ বইয়ে অ্যান্ড্রু হাফ দাবি করেন, মার্কিন সরকার করোনা ভাইরাস তৈরি করতে চিনকে আর্থিক অনুদানও দিয়েছিল।

আরও পড়ুন: সিএএ-তে নাগরিকত্বের জন্য আবেদনের সময়সীমা ১০ বছর বাড়াল কেন্দ্র

 

আরও পড়ুন: আবারও ভয় ধরাচ্ছে করোনা

হাফের বইয়ের কিছু অংশ ‘দ্য সানে’ প্রকাশিত হয়েছে। সংক্রামক ব্যাধি নিয়ে কাজ করছে ‘ইকো হেলথ অ্যালায়েন্স’ নামে একটি নন-প্রফিট অর্গানাইজেশন। তারই ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রু হাফ।

 

হাফ তাঁর বইয়ে দাবি করেন, এই ভাইরাস তৈরিতে ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে উহান গবেষণাগারে গবেষণা চালিয়েছিল মার্কিন সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ (এনআইএইচ)। আরও দাবি, উহানের ওই গবেষণাগারে উপযুক্ত সুরক্ষা ছিল না। তার জেরেই ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে।

 

বায়োসেফটি, বায়ো সিকিউরিটি, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট নিয়ে বিদেশের ওই গবেষণাগারে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল না। উহান ল্যাব থেকে কোভিডের উৎপত্তি নিয়ে এখনও বিতর্ক রয়েছে। চিনা সরকারি কর্মকর্তা এবং ল্যাব কর্মীরা ভাইরাসটির উহানে উৎপত্তির কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন। দ্য সান পত্রিকায় হাফ বলেন, চিন প্রথম থেকেই জানত এটা জেনেটিক্যালি ইঞ্জিনিয়ার্ড এজেন্ট।

 

ভয়াবহ বায়োটেকনোলজিকে চিনে ট্রান্সফার করার জন্য মার্কিন সরকারকেও দায়ী করতে হয়। অ্যান্ড্রু হাফ তার বইয়ে বলেন, চিনের ওই গবেষণাগারে পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছিল না। যার ফলে শেষ পর্যন্ত ভাইরাসটি লিক হয়।  এর আগে চিনের উহান গবেষণাগার থেকেই করোনার জীবাণু ছড়ানো হয়েছিল কি-না, তা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

 

এর জন্য গভীরে গিয়ে তদন্তের প্রয়োজন বলে গত জুন মাসে একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছিল সংস্থাটি। তদন্তে চিন সাহায্য করছে না বলে দাবি করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।