আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার সন্ধ্যা প্রায় ৭টা নাগাদ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্থা’। দেশের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মাচিলিপত্তনম ও কলিঙ্গপত্তনমের মাঝখানে, কাকিনাড়া সংলগ্ন উপকূল দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি প্রবল বেগে অতিক্রম করেছে। এর সর্বোচ্চ বায়ুর গতি ছিল ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার, ঝোড়ো হাওয়ার দমকে পৌঁছেছিল ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, ‘মন্থা’ শব্দের অর্থ থাই ভাষায় একটি সুগন্ধি ফুল।
আরও পড়ুন:
অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়া, কৃষ্ণা, এলুরু, পূর্ব ও পশ্চিম গোদাবরী, ড. বি.আর. আম্বেদকর কোনাসীমা এবং অলুরি সীতারাম রাজু জেলার চিন্তুরু ও রামপাচোদাভরম এলাকায় ঝড়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি।
রাজ্য সরকার ওই সাত জেলায় মঙ্গলবার রাত ৮.৩০ থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত সব যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে রাজ্যের ২২ জেলার ৪০৩টি মণ্ডলে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।আরও পড়ুন:
আইএমডি জানিয়েছে, নিম্নাঞ্চলে দাঁড়িয়ে থাকা ধান ও সবজি চাষের ফসলের ক্ষতি হতে পারে। কৃষকদের জমিতে জমে থাকা জল যতটা সম্ভব সরিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
জরুরি যোগাযোগ সচল রাখতে ৮১টি ওয়্যারলেস টাওয়ার ও ২১টি বড় লাইট টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে।
পাশাপাশি, উপড়ে পড়া গাছ সরাতে ১,৪৪৭টি আর্থমুভার, ৩২১টি ড্রোন ও ১,০৪০টি চেনস’ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রাজ্যজুড়ে সতর্কতা জারি করে ৩.৬ কোটি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে।আরও পড়ুন:
সকাল ৮.৩০ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নেল্লোর জেলার উলাভাপাডুতে ১২.৬ সেন্টিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এর পরেই রয়েছে কাভালি (১২.২ সেমি), দাগাদার্থি (১২ সেমি), সিঙ্গারায়াকোন্ডা (১০.৫ সেমি), বি কোদুর (৬ সেমি) এবং বিশাখাপত্তনম ও টুনি (২ সেমি)।
আরও পড়ুন:
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু-কে দেওয়া রিপোর্টে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে নেল্লোর জেলায়।