২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সউদি-পাক চুক্তি খতিয়ে দেখছে দিল্লি

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক : সউদি-পাক চুক্তি খতিয়ে দেখছে দিল্লি। এক বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানাল নয়া দিল্লি। সউদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি হওয়ার পর ভারতের বিদেশ মন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানাল, দুই দেশে কী চুক্তি হয়েছে, তা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলবে তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, যে চুক্তিই হোক ভারত নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। ওই দুই দেশ যে দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি করেছে সে বিষয়ে ভারত সরকার পূর্ণ ওয়াকিবহাল। কাতারে ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র হানার পর আমেরিকার উপর নির্ভরশীল আরব দেশগুলি এখন নতুন করে মুসলিম শাসিত দেশগুলির সঙ্গে বন্ধন মজবুত করতে চাইছে।

কাতার আমেরিকাকে এত তোষণ করা সত্বেও, আমেরিকার সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি সেদেশে করার অনুমতি দেওয়া সত্বেও ইসরাইলের হানার পর আমেরিকা টুঁ শব্দ করে নি। এতে কাতার বেশ ক্ষুব্ধ। সউদি আরব, যারা আরও এক কদম এগিয়ে আমেরিকাকে প্রাণের বন্ধু করে নিয়েছে তারাও এখন ভাবছে, এই ঘটনা তাদের ক্ষেত্রেও তো হতে পারে। সেই কারণেই পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তি। ইদানীং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারকয়েক রিয়াধে গিয়ে যুবরাজ সলমানের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করছিলেন। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও সউদি পণ্যে হালে কিছু ছাড় দেওয়া হয়। তা কি পুরো ভেস্তে গেল? সেই জল মাপার চেষ্টা করছে দিল্লি।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

আরএসএস মানহানি মামলা: নতুন জামিনদার দিতে থানে আদালতে সশরীরে হাজিরা দিলেন রাহুল গান্ধী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সউদি-পাক চুক্তি খতিয়ে দেখছে দিল্লি

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক : সউদি-পাক চুক্তি খতিয়ে দেখছে দিল্লি। এক বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানাল নয়া দিল্লি। সউদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি হওয়ার পর ভারতের বিদেশ মন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানাল, দুই দেশে কী চুক্তি হয়েছে, তা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলবে তা এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, যে চুক্তিই হোক ভারত নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। ওই দুই দেশ যে দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তি করেছে সে বিষয়ে ভারত সরকার পূর্ণ ওয়াকিবহাল। কাতারে ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র হানার পর আমেরিকার উপর নির্ভরশীল আরব দেশগুলি এখন নতুন করে মুসলিম শাসিত দেশগুলির সঙ্গে বন্ধন মজবুত করতে চাইছে।

কাতার আমেরিকাকে এত তোষণ করা সত্বেও, আমেরিকার সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি সেদেশে করার অনুমতি দেওয়া সত্বেও ইসরাইলের হানার পর আমেরিকা টুঁ শব্দ করে নি। এতে কাতার বেশ ক্ষুব্ধ। সউদি আরব, যারা আরও এক কদম এগিয়ে আমেরিকাকে প্রাণের বন্ধু করে নিয়েছে তারাও এখন ভাবছে, এই ঘটনা তাদের ক্ষেত্রেও তো হতে পারে। সেই কারণেই পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তি। ইদানীং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারকয়েক রিয়াধে গিয়ে যুবরাজ সলমানের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করছিলেন। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও সউদি পণ্যে হালে কিছু ছাড় দেওয়া হয়। তা কি পুরো ভেস্তে গেল? সেই জল মাপার চেষ্টা করছে দিল্লি।