১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে নতুন সরকারের শপথে থাকছেন দেশি–বিদেশি ১২০০ অতিথি

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরতে চলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল চারটায় জাতীয় সংসদ ভবন–এর দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন বলে জানা গেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে খবর, দেশি-বিদেশি মিলিয়ে প্রায় ১,২০০ অতিথি উপস্থিত থাকবেন।

আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতি

আরও পড়ুন: বিএনপির ঐতিহাসিক জয়: বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে এই তারেক রহমান?

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল। এ ছাড়া নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কার মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন। কূটনৈতিক মহলের ইঙ্গিত—মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু শেষ মুহূর্তে উপস্থিত থাকতে পারেন। যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিও অনুষ্ঠানে থাকবেন।

আরও পড়ুন: নির্বাচনী ফলাফল প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র

সংসদ সদস্যদের শপথ ও নেতৃত্ব নির্বাচন

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞ প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূসের

মঙ্গলবার সকালেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবে, যিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিদায়ী বৈঠক ও ক্ষমতা হস্তান্তর

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ী বৈঠকে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নতুন সরকারের শপথকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক তৎপরতা।

নতুন অধ্যায়ের সূচনা

প্রথা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান, জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক ও বিশিষ্টজনদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমন্ত্রিত থাকলেও পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারছেন না; তাঁর পরিবর্তে ভারতীয় প্রতিনিধিদল সেখানে অংশ নেবেন।

প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

রাত ১২টা থেকে অনলাইনেও মমতার ‘যুবসাথী’ আবেদন শুরু, অফলাইনের চাপ কমাতে নবান্নের উদ্যোগ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাংলাদেশে নতুন সরকারের শপথে থাকছেন দেশি–বিদেশি ১২০০ অতিথি

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরতে চলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল চারটায় জাতীয় সংসদ ভবন–এর দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন বলে জানা গেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে খবর, দেশি-বিদেশি মিলিয়ে প্রায় ১,২০০ অতিথি উপস্থিত থাকবেন।

আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতি

আরও পড়ুন: বিএনপির ঐতিহাসিক জয়: বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে এই তারেক রহমান?

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল। এ ছাড়া নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কার মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন। কূটনৈতিক মহলের ইঙ্গিত—মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু শেষ মুহূর্তে উপস্থিত থাকতে পারেন। যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিও অনুষ্ঠানে থাকবেন।

আরও পড়ুন: নির্বাচনী ফলাফল প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র

সংসদ সদস্যদের শপথ ও নেতৃত্ব নির্বাচন

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞ প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূসের

মঙ্গলবার সকালেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবে, যিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিদায়ী বৈঠক ও ক্ষমতা হস্তান্তর

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ী বৈঠকে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নতুন সরকারের শপথকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক তৎপরতা।

নতুন অধ্যায়ের সূচনা

প্রথা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান, জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক ও বিশিষ্টজনদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমন্ত্রিত থাকলেও পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে তিনি উপস্থিত থাকতে পারছেন না; তাঁর পরিবর্তে ভারতীয় প্রতিনিধিদল সেখানে অংশ নেবেন।