ইনামুল হক, বসিরহাট : জাতীয় দলসহ দেশের বিভিন্ন নামি ক্লাবের মাঠ কাঁপানো ফুটবলার মিহির বসুকে এই প্রথম ইস্টবেঙ্গল ক্লাব লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট দিয়েছে। গর্বিত আশির দশকের এই ফুটবলার। ১৯৮২ সালে ভারতের জাতীয় দলের হয়ে নেহুরু কাপ থেকে শুরু করে নানা টুর্নামেন্টে তার অনবদ্য ফুটবল দেশ তথা গোটা দুনিয়া দেখেছে।
এমনকি দেশের তিন নামী ক্লাব মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল মোহামেডানের হয়ে মাঠ কাঁপিয়েছে দেশের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে। ৭০ বছরের এই প্রাক্তন কিংবদন্তি ফুটবলারের সম্মানে বসিরহাটের মানুষ গর্বিত। শুধু রাজ্য নয় দেশের ফুটবল প্রেমী মানুষ তার এই সম্মান পাওয়ায় আবেগ আপ্লুত। বসিরহাট টাউনহলে ফুটবলপ্রেমী মনোরঞ্জন বিশ্বাসের উদ্যোগে বসিরহাটের গর্ব ভারতের প্রখ্যাত ফুটবলার মিহির বসুকে এই বিশেষ সম্মানের সম্মানিত করা হয়।
সেখানে হাজির ছিলেন প্রাক্তন ফুটবলার ভাস্কর গাঙ্গুলী, নাজিমুল হক, শংকর সেন, গোপাল মজুমদার সহ এক ঝাঁক তারকা ফুটবলার। এদিন তার হাতে ইলিশের একটি বড় সাইজ দিয়ে তুলে দিয়ে বুঝিয়ে দিল চিংড়ি ইলিশ যতই লড়াই থাক তার এই সম্মান সারাজীবন মনে রাখবে বসিরহাট বাসী। এদিন মিহির বসুর জীবনী প্রজেক্টর এর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। তবে কোথাও যেন তার একটি আক্ষেপের সুর রয়েছে।
১৯৭৭ সালে রেলের চাকরি ছেড়ে মোহন বাগানে খেলার জন্য সই করেছিলেন। তারপর জাতীয় দলের হয়ে এশিয়ান গেমস ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। একাধিক আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট খেলেছিলেন। তার এই ফুটবল জীবনের কিংবদন্তী সফর, নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের উজ্জীবিত করে তুলবে বলে মনে করে তার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাজির একঝাঁক ফুটবলারসহ বসিরহাটের ফুটবল প্রেমী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী ও সমাজের বিশিষ্টজনেরা। তাকে ফুল মিষ্টি স্মারক দিয়ে সংবর্ধিত করেন। ৭০ বছর বয়সে এই সম্মান পেয়ে তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে বলেন- ফুটবল জীবনে আক্ষেপ তো ছিল। শেষ জীবনে এসে এই সম্মান পেয়ে আমি গর্বিত।























