পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে নজিরবিহীন নির্দেশের পর আজ বৈঠকে বসছেন কলকাতা হাইকোর্ট–এর প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট–এর নির্দেশ অনুযায়ী জমে থাকা নথি কীভাবে নিষ্পত্তি করা হবে, সেই রূপরেখা চূড়ান্ত করাই এই বৈঠকের উদ্দেশ্য।
হাইকোর্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্যের সিইও, কমিশনের প্রতিনিধি, ডিজি, অ্যাডভোকেট জেনারেল এবং অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেলকে বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য জানানো হবে। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট করেছে যে এসআইআর ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে বিচার বিভাগের হস্তক্ষেপ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয়।
নির্দেশ অনুযায়ী, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এবং অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারকদের নিয়োগ করে সন্দেহভাজন ও আনম্যাপড ভোটারদের নথি, প্রযুক্তিগত কারণে আপলোড না হওয়া কাগজপত্র এবং বিলি না হওয়া শুনানির নোটিসসহ জমে থাকা সব বিষয় নিষ্পত্তি করা হবে। প্রতি জেলায় কতজন বিচারক থাকবেন, তা নির্ধারণ করবেন প্রধান বিচারপতি, এবং তাঁদের সিদ্ধান্তকেই সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।
এসআইআরের কাজে বিচারকরা যুক্ত হলে নিম্ন আদালতের স্বাভাবিক বিচারপ্রক্রিয়া কিছুটা ধীর হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট বিচারকদের এজলাসে থাকা মামলাগুলি সাময়িকভাবে অন্য আদালতে স্থানান্তরের ব্যবস্থাও করা হবে। আগামী সাত থেকে দশ দিনের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ রয়েছে, ফলে ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত তালিকাও প্রকাশ করা হতে পারে।
সূত্রের খবর, নির্দেশ জারির পর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল–এর সঙ্গে কথা বলে যেসব ভোটারের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই, তাঁদের তালিকা প্রস্তুত রাখতে বলেছেন।




























