০১ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইন্তেকাল করলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক হাসান আজিজুল হক

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ ইন্তেকাল করলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। রাজশাহীতে নিজ বাসভবন উজানে সোমবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ প্রয়াত হন আগুন পাখির স্রস্টা । মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩।

হাসান আজিজুল হক স্ত্রী শামসুন নাহার, তিন কন্যা ও এক পুত্রকে রেখে গেছেন। মঙ্গলবার বাদ জোহর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে বেলা ১২টা থেকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাঁর দেহ শায়িত থাকবে। সেখানে শ্রদ্ধা জানাবেন আপামর সাধারণ মানুষ।

হাসান আজিজুল হক ১৯৩৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত বাংলার বর্ধমান জেলার যবগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি রাজশাহীতে কাটিয়েছেন। ১৯৭৩ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৪ সাল পর্যন্ত একটানা ৩১ বছর অধ্যাপনা করেন। অবসর জীবনও তিনি এই রাজশাহীতেই অতিবাহিত করেন।

ছোটগল্পেের মুকুটহীন সম্রাট ছিলেন তিনি। । দীর্ঘ জীবনকালে দেখেছেন অনেক কিছুই। সাক্ষী বহু ঐতিহাসিক ঘটনার। সেগুলো ধরে রেখেছেন তাঁর কলমে।হাসান আজিজুল হকের গল্পগ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘সমুদ্রের স্বপ্ন’, ‘শীতের অরণ্য’। উপন্যাস ‘আগুনপাখি’ তাকে নিয়ে গেছে অনন্য এক উচ্চতায়।

১৯৭০ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পান। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদকে ও ২০১৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।তাঁর প্রয়াণে শোক গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সর্বধিক পাঠিত

যোগী রাজ্যে ফের ধর্ষণের শিকার তেরো বছরের বালিকা, তদন্তে পুলিশ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইন্তেকাল করলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক হাসান আজিজুল হক

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ ইন্তেকাল করলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। রাজশাহীতে নিজ বাসভবন উজানে সোমবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ প্রয়াত হন আগুন পাখির স্রস্টা । মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩।

হাসান আজিজুল হক স্ত্রী শামসুন নাহার, তিন কন্যা ও এক পুত্রকে রেখে গেছেন। মঙ্গলবার বাদ জোহর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে বেলা ১২টা থেকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাঁর দেহ শায়িত থাকবে। সেখানে শ্রদ্ধা জানাবেন আপামর সাধারণ মানুষ।

হাসান আজিজুল হক ১৯৩৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত বাংলার বর্ধমান জেলার যবগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি রাজশাহীতে কাটিয়েছেন। ১৯৭৩ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৪ সাল পর্যন্ত একটানা ৩১ বছর অধ্যাপনা করেন। অবসর জীবনও তিনি এই রাজশাহীতেই অতিবাহিত করেন।

ছোটগল্পেের মুকুটহীন সম্রাট ছিলেন তিনি। । দীর্ঘ জীবনকালে দেখেছেন অনেক কিছুই। সাক্ষী বহু ঐতিহাসিক ঘটনার। সেগুলো ধরে রেখেছেন তাঁর কলমে।হাসান আজিজুল হকের গল্পগ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে ‘সমুদ্রের স্বপ্ন’, ‘শীতের অরণ্য’। উপন্যাস ‘আগুনপাখি’ তাকে নিয়ে গেছে অনন্য এক উচ্চতায়।

১৯৭০ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পান। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদকে ও ২০১৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।তাঁর প্রয়াণে শোক গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।