আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে এবছরের উচ্চ মাধ্যমিকের চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা। পুরনো সিলেবাস, তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি এবং শুধুমাত্র সেমেস্টার—এই তিন ধরনের পরীক্ষার্থী মিলিয়ে এবছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ লক্ষ ১০ হাজার ৮১১ জন। এর মধ্যে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্যা বেশি ৭৯,৩৪৭ জন। রাজ্যের ২৩টি জেলাতেই সংখ্যার নিরিখে এগিয়ে ছাত্রীরা।
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে মোট ৮২২টি মেইন ভেন্যু এবং ২,১০৩টি সাব ভেন্যুতে। সংসদের সামনে এবছরের বড় চ্যালেঞ্জ হল তিন ধরনের পরীক্ষা একসঙ্গে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা। গোটা প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজন হবে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা। বিশেষ করে প্রথম দিনের পরীক্ষার সঙ্গে মাধ্যমিকের অপশনাল ইলেকটিভ পরীক্ষাও থাকায় শিক্ষক ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, মঙ্গলবার জেলা কমিটির আহ্বায়ক ও সহকারী আহ্বায়কদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। সেখানে শিক্ষক সংকট ও পরীক্ষার সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। প্রয়োজনে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেও শিক্ষক নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী, চতুর্থ সেমেস্টারের মূল পরীক্ষা চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে। মিউজিক, ভিজ্যুয়াল আর্টস এবং ভোকেশনাল বিষয়ের পরীক্ষা হবে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত। তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা হবে দুপুর ১টা থেকে ২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত। অন্যদিকে, পুরনো সিলেবাসের পরীক্ষা চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত।
তিন ধরনের পরীক্ষার্থীদের বসার জন্য আলাদা আলাদা কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র গুলিয়ে যাওয়া রুখতে বিভিন্ন রঙে চিহ্নিত করা হয়েছে প্রশ্নপত্র। পরীক্ষার দিন কেন্দ্রে কড়া তল্লাশির ব্যবস্থা থাকায় পরীক্ষার্থীদের অন্তত এক ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে পৌঁছানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাদের পরীক্ষা সকাল ১০টায়, তাদের সকাল ৯টার মধ্যেই কেন্দ্রে পৌঁছাতে বলা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ধারণের এই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাকে নির্বিঘ্ন ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।





























