০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আফগানিস্তান পরিস্থিতি নিয়ে ১০ নভেম্বর NSA পর্যায়ের বৈঠক দিল্লিতে

  • মিতা রয়
  • আপডেট : ৫ নভেম্বর ২০২১, শুক্রবার
  • 71

Indias National Security Advisor Ajit Doval listens during the first meeting of national security secretaries of Afghanistan, China, Iran, India and Russia, in the Iranian capital Tehran on September 26, 2018. (Photo by ATTA KENARE / AFP) (Photo credit should read ATTA KENARE/AFP/Getty Images)

পুবের কলম ডেস্ক : আফগানিস্তান নিয়ে আঞ্চলিক সুরক্ষা সংক্রান্ত বৈঠকের আয়োজন করতে চলেছে ভারত। জাতীয় সুরক্ষা আধিকারিকের (এনসএ) স্তরে এই বৈঠক হবে দিল্লিতে আগামী ১০ নভেম্বর। এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের পৌরোহিত্যে। এই স্তরে পূর্বে দু’টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে ইরানে। তৃতীয় বৈঠক হওয়ার কথা ছিল দিল্লিতে কিন্তু করোনা সংক্রমণের আবহে সেই বৈঠক বাতিল হয়ে যায়। সূত্রের খবর– ভারতে আগামী ১০ নভেম্বর যে বৈঠক হতে চলেছে তার আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে আফগানিস্তানের শুধু পড়শি দেশগুলিকে নয়– আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে মধ্য এশিয়ার দেশগুলিকেও। ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েছে প্রায় সব দেশই। আগামী সপ্তাহের এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক নিয়ে আমন্ত্রিত দেশগুলির ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় প্রমাণ হয় আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে আঞ্চলিক দেশগুলি চিন্তিত। তাই তারা আঞ্চলিক সুরক্ষার বিষয়ে বিশদ আলোচনায় আগ্রহী। এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ভারতের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। ১০ নভেম্বরের বৈঠকের আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে চিন এবং পাকিস্তানকেও। তারা এখনও সরকারিভাবে আমন্ত্রণের উত্তর দেয়নি। তবে পাকিস্তানের মিডিয়ার খবরে জানা যাচ্ছে যে– পাকিস্তান এই বৈঠকে অংশ গ্রহণ করবে না। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক সূত্রের খবর– ভারত মনে করছে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে যদি পাকিস্তান অংশগ্রহণ না করে– তাহলে সেটা দুর্ভাগ্যজনক কিন্তু পাকিস্তানের এই ধরনের আচরণ অপ্রত্যাশিত নয়। কারণ পাকিস্তান নিজেদের আফগানিস্তানের রক্ষক বলে মনে করে। এর আগে এই পর্যায়ের দু’টি বৈঠকে পাকিস্তান অনুপস্থিত ছিল। পাকিস্তানের মিডিয়া ভারতের বিরুদ্ধে প্রচার করে থাকে। কিন্তু আফগানিস্তানে পাকিস্তানের ধ্বংসাত্মক ভূমিকা আড়াল করা সম্ভব নয়।

প্রসঙ্গত– দু’সপ্তাহ আগে মস্কোতে ভারতের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা হয় আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী আবদুল সালাম হানাফির নেতৃত্বাধীন এক প্রতিনিধি দলের। যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তানে মানবিক সাহায্য পাঠাতে রাজি ভারত। ভারতের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন ভারত বিদেশ মন্ত্রকের পাকিস্তান-আফগানিস্তান-ইরান বিষয়ক যুগ্ম সচিব জে পি সিং। এই বৈঠকের দু’সপ্তাহ পরে আফগানিস্তান নিয়ে বৈঠক হতে চলেছে দিল্লিতে। এটা নয়াদিল্লির বিদেশ নীতির সাফল্য বলে মনে করছে ভারত। ১০ নভেম্বর দিল্লি বৈঠকে যোগ দেবে রাশিয়া এবং ইরানও।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

ভুয়ো ভোটারে ছেয়েছে মোদির বারাণসী! ৯২০০ জনের তালিকা প্রকাশ করে এবার SIR নিয়ে তোপ বিজেপি মন্ত্রীরই

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আফগানিস্তান পরিস্থিতি নিয়ে ১০ নভেম্বর NSA পর্যায়ের বৈঠক দিল্লিতে

আপডেট : ৫ নভেম্বর ২০২১, শুক্রবার

পুবের কলম ডেস্ক : আফগানিস্তান নিয়ে আঞ্চলিক সুরক্ষা সংক্রান্ত বৈঠকের আয়োজন করতে চলেছে ভারত। জাতীয় সুরক্ষা আধিকারিকের (এনসএ) স্তরে এই বৈঠক হবে দিল্লিতে আগামী ১০ নভেম্বর। এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের পৌরোহিত্যে। এই স্তরে পূর্বে দু’টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে ইরানে। তৃতীয় বৈঠক হওয়ার কথা ছিল দিল্লিতে কিন্তু করোনা সংক্রমণের আবহে সেই বৈঠক বাতিল হয়ে যায়। সূত্রের খবর– ভারতে আগামী ১০ নভেম্বর যে বৈঠক হতে চলেছে তার আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে আফগানিস্তানের শুধু পড়শি দেশগুলিকে নয়– আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে মধ্য এশিয়ার দেশগুলিকেও। ভারতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েছে প্রায় সব দেশই। আগামী সপ্তাহের এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক নিয়ে আমন্ত্রিত দেশগুলির ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় প্রমাণ হয় আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে আঞ্চলিক দেশগুলি চিন্তিত। তাই তারা আঞ্চলিক সুরক্ষার বিষয়ে বিশদ আলোচনায় আগ্রহী। এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ভারতের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। ১০ নভেম্বরের বৈঠকের আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে চিন এবং পাকিস্তানকেও। তারা এখনও সরকারিভাবে আমন্ত্রণের উত্তর দেয়নি। তবে পাকিস্তানের মিডিয়ার খবরে জানা যাচ্ছে যে– পাকিস্তান এই বৈঠকে অংশ গ্রহণ করবে না। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক সূত্রের খবর– ভারত মনে করছে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে যদি পাকিস্তান অংশগ্রহণ না করে– তাহলে সেটা দুর্ভাগ্যজনক কিন্তু পাকিস্তানের এই ধরনের আচরণ অপ্রত্যাশিত নয়। কারণ পাকিস্তান নিজেদের আফগানিস্তানের রক্ষক বলে মনে করে। এর আগে এই পর্যায়ের দু’টি বৈঠকে পাকিস্তান অনুপস্থিত ছিল। পাকিস্তানের মিডিয়া ভারতের বিরুদ্ধে প্রচার করে থাকে। কিন্তু আফগানিস্তানে পাকিস্তানের ধ্বংসাত্মক ভূমিকা আড়াল করা সম্ভব নয়।

প্রসঙ্গত– দু’সপ্তাহ আগে মস্কোতে ভারতের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা হয় আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী আবদুল সালাম হানাফির নেতৃত্বাধীন এক প্রতিনিধি দলের। যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তানে মানবিক সাহায্য পাঠাতে রাজি ভারত। ভারতের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন ভারত বিদেশ মন্ত্রকের পাকিস্তান-আফগানিস্তান-ইরান বিষয়ক যুগ্ম সচিব জে পি সিং। এই বৈঠকের দু’সপ্তাহ পরে আফগানিস্তান নিয়ে বৈঠক হতে চলেছে দিল্লিতে। এটা নয়াদিল্লির বিদেশ নীতির সাফল্য বলে মনে করছে ভারত। ১০ নভেম্বর দিল্লি বৈঠকে যোগ দেবে রাশিয়া এবং ইরানও।