১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শোকস্তব্ধ মুকুল রায়ের পাশে মমতা, কাঁচরাপাড়ার বাড়িতে গিয়ে সমবেদনা মুখ্যমন্ত্রীর

ফাইল চিত্র


পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পরিবারের কঠিন সময়ে শোকস্তব্ধ সহযোদ্ধা মুকুল রায়ের পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সদ্য স্ত্রীকে হারিয়েছেন মুকুল রায়। এদিন তাঁকে সমবেদনা জানাতে তাঁর সল্টলেকের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় এক ঘন্টা থাকেন সেখানে। এরপর মুকুল রায়কে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়ি থেকে বের হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের সামনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মুকুল আমার দীর্ঘদিনের সহকর্মী। ওঁর স্ত্রী-কে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনতাম। ওদের পরিবারে আমি অনেকবার গিয়েছি। মুকুল রায়ের মা যখন বেঁচে ছিলেন তখনও দেখা হয়েছে।”
কৃষ্ণাদেবীর মৃত্যু নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম সুস্থ হয়ে উঠবে। সবরকম চেষ্টার পরেও সব শেষ হয়ে গেল। দেহ বুধবার সকালে নিয়ে আসা হবে চেন্নাই থেকে। তারপর মুকুলকে সঙ্গে নিয়ে ওরা যাবে কাঁচড়াপাড়ার বাড়িতে। ওখানেই কাজ-কর্ম হবে।”
কিছুদিন আগেই করোনা নিয়ে কলকাতায় বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা রায়। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল তার। কিন্তু ফুসফুসের অবস্থা ক্রমশ অবনতি হতে থাকায়, চিকিৎসকরা প্রতিস্থাপন ছাড়া আর কোনও পথ খুঁজে পাননি। এরপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। গত ১৭ জুন দিল্লি থেকে কলকাতায় আসা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হয় কৃষ্ণা রায়কে। চেন্নাইয়ে চিকিৎসা চলাকালীন সেখানেই মৃত্যু হয় কৃষ্ণাদেবীর।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ, অধিকাংশ ঘটনা বিজেপি শাসিত রাজ্যে, উঠছে অভিযোগ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শোকস্তব্ধ মুকুল রায়ের পাশে মমতা, কাঁচরাপাড়ার বাড়িতে গিয়ে সমবেদনা মুখ্যমন্ত্রীর

আপডেট : ৬ জুলাই ২০২১, মঙ্গলবার


পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পরিবারের কঠিন সময়ে শোকস্তব্ধ সহযোদ্ধা মুকুল রায়ের পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সদ্য স্ত্রীকে হারিয়েছেন মুকুল রায়। এদিন তাঁকে সমবেদনা জানাতে তাঁর সল্টলেকের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় এক ঘন্টা থাকেন সেখানে। এরপর মুকুল রায়কে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়ি থেকে বের হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের সামনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মুকুল আমার দীর্ঘদিনের সহকর্মী। ওঁর স্ত্রী-কে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনতাম। ওদের পরিবারে আমি অনেকবার গিয়েছি। মুকুল রায়ের মা যখন বেঁচে ছিলেন তখনও দেখা হয়েছে।”
কৃষ্ণাদেবীর মৃত্যু নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম সুস্থ হয়ে উঠবে। সবরকম চেষ্টার পরেও সব শেষ হয়ে গেল। দেহ বুধবার সকালে নিয়ে আসা হবে চেন্নাই থেকে। তারপর মুকুলকে সঙ্গে নিয়ে ওরা যাবে কাঁচড়াপাড়ার বাড়িতে। ওখানেই কাজ-কর্ম হবে।”
কিছুদিন আগেই করোনা নিয়ে কলকাতায় বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা রায়। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল তার। কিন্তু ফুসফুসের অবস্থা ক্রমশ অবনতি হতে থাকায়, চিকিৎসকরা প্রতিস্থাপন ছাড়া আর কোনও পথ খুঁজে পাননি। এরপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। গত ১৭ জুন দিল্লি থেকে কলকাতায় আসা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হয় কৃষ্ণা রায়কে। চেন্নাইয়ে চিকিৎসা চলাকালীন সেখানেই মৃত্যু হয় কৃষ্ণাদেবীর।