১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী: চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: শাহের সভা শেষের পর বিকেলে তৃণমূল ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সাগরিকা ঘোষরা। চন্দ্রিমা বলেন, দমনে রাখবেন, জামাইষষ্ঠীর দিন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের মতো বড় প্রেক্ষাগৃহে বিজেপির কর্মসূচির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বলেই এমনটা করেছেন। আর বলছেন, হিংসা ছাড়া ভোট হলে নাকি তৃণমূলের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। আমরা প্রশ্ন করতে চাই, ভোট কি রাজ্য সরকার করায়? তা তো দিল্লির নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। ভোটে হিংসা হলে তাহলে নির্বাচন কমিশনেরই দায়।’

আরও পড়ুন: ইডি তল্লাশির মাঝেই আইপ্যাকের কর্ণধার, প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

অন্যদিকে, কেন্দ্র বকেয়া মেটাচ্ছে না। এই অভিযোগে বারবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী মোদিকে চিঠিও লিখেছেন তিনি। রবিবার নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে বকেয়া মেটানোর খতিয়ান তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দাবি করলেন, গত ১০ বছরে অর্থাৎ এনডিএ আমলে বাংলার জন্য ৮ লক্ষ ২৭ হাজার কোটি টাকা ছেড়েছে কেন্দ্র। পালটা দিয়ে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বললেন, ‘মাছের তেলে মাছ ভাজা।’

আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে ভয়াবহ বৃষ্টি-ধস, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সোমবার যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

কর্মীসভায় ২৬’-এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে দলের কর্মীদের চাঙ্গা করার বার্তা দেন। একাধিক ইস্যুতে রাজ্যকে তুলোধোনা করেন তিনি। ওঠে বকেয়া প্রসঙ্গও। এদিন শাহ দাবি করেন, ‘গত ১০ বছরে অর্থাৎ এনডিএ আমলে বাংলার জন্য ৮ লক্ষ ২৭ হাজার কোটি টাকা ছেড়েছে কেন্দ্র। যা ইউপিএ আমলের চার গুণ।’

আরও পড়ুন: জেলায় জেলায় পুজোর কার্নিভালের জৌলুস দেখে আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পালটা দিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বললেন, ‘এখনও রাজ্যের পাওয়া ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। মনরেগার টাকা দিচ্ছে না। মানুষের প্রাপ্য টাকা দিচ্ছে না। এদিকে কুমিরের কান্না কাঁদছেন।’ এরপরই তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রাজ্য থেকে যে টাকা তুলে দিচ্ছি, সেটা দেখিয়ে আপনারা নানারকম কথা বলছেন। মাছের তেলে মাছ ভাজা হচ্ছে!’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বললেন, ‘এভাবে চলবে না। পদত্যাগ করতে হবে। তৈরি থাকুন।’

সর্বধিক পাঠিত

সন্দেহ বাংলাদেশি: অবৈধ বসবাসের অভিযোগে ১১ জন মহিলাকে আটক মহারাষ্ট্র পুলিশের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী: চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

আপডেট : ১ জুন ২০২৫, রবিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: শাহের সভা শেষের পর বিকেলে তৃণমূল ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সাগরিকা ঘোষরা। চন্দ্রিমা বলেন, দমনে রাখবেন, জামাইষষ্ঠীর দিন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের মতো বড় প্রেক্ষাগৃহে বিজেপির কর্মসূচির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বলেই এমনটা করেছেন। আর বলছেন, হিংসা ছাড়া ভোট হলে নাকি তৃণমূলের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। আমরা প্রশ্ন করতে চাই, ভোট কি রাজ্য সরকার করায়? তা তো দিল্লির নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। ভোটে হিংসা হলে তাহলে নির্বাচন কমিশনেরই দায়।’

আরও পড়ুন: ইডি তল্লাশির মাঝেই আইপ্যাকের কর্ণধার, প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

অন্যদিকে, কেন্দ্র বকেয়া মেটাচ্ছে না। এই অভিযোগে বারবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী মোদিকে চিঠিও লিখেছেন তিনি। রবিবার নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে বকেয়া মেটানোর খতিয়ান তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দাবি করলেন, গত ১০ বছরে অর্থাৎ এনডিএ আমলে বাংলার জন্য ৮ লক্ষ ২৭ হাজার কোটি টাকা ছেড়েছে কেন্দ্র। পালটা দিয়ে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বললেন, ‘মাছের তেলে মাছ ভাজা।’

আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে ভয়াবহ বৃষ্টি-ধস, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সোমবার যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

কর্মীসভায় ২৬’-এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে দলের কর্মীদের চাঙ্গা করার বার্তা দেন। একাধিক ইস্যুতে রাজ্যকে তুলোধোনা করেন তিনি। ওঠে বকেয়া প্রসঙ্গও। এদিন শাহ দাবি করেন, ‘গত ১০ বছরে অর্থাৎ এনডিএ আমলে বাংলার জন্য ৮ লক্ষ ২৭ হাজার কোটি টাকা ছেড়েছে কেন্দ্র। যা ইউপিএ আমলের চার গুণ।’

আরও পড়ুন: জেলায় জেলায় পুজোর কার্নিভালের জৌলুস দেখে আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

পালটা দিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বললেন, ‘এখনও রাজ্যের পাওয়া ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। মনরেগার টাকা দিচ্ছে না। মানুষের প্রাপ্য টাকা দিচ্ছে না। এদিকে কুমিরের কান্না কাঁদছেন।’ এরপরই তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রাজ্য থেকে যে টাকা তুলে দিচ্ছি, সেটা দেখিয়ে আপনারা নানারকম কথা বলছেন। মাছের তেলে মাছ ভাজা হচ্ছে!’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বললেন, ‘এভাবে চলবে না। পদত্যাগ করতে হবে। তৈরি থাকুন।’