১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, রবিবার, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মহাশিবরাত্রিতে শান্তি ও সম্প্রীতির আহ্বান, বাংলাবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

 

মহাশিবরাত্রির পুণ্যতিথিতে রাজ্যজুড়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বাংলার মানুষের উদ্দেশ্যে শান্তি, সহাবস্থান ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং রাজ্যের বহু ধর্মীয় স্থানের উন্নয়নমূলক কাজের কথাও তুলে ধরেন।
নিজের বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলার ঐতিহ্যই হলো বহুত্ববাদ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। সেই ঐতিহ্য রক্ষা করে সব ধর্মের মানুষের জন্য সমানভাবে ধর্মস্থানগুলির সংস্কার ও উন্নয়নে কাজ করছে রাজ্য সরকার।
তিনি উল্লেখ করেন, জলপাইগুড়ির বিখ্যাত জল্পেশ মন্দিরের সংস্কার ও ভক্তদের সুবিধার্থে স্কাইওয়াক নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি তারকেশ্বরমন্দিরের উন্নয়নের জন্য গঠন করা হয়েছে তারকেশ্বর ডেভেলপমেন্ট অথরিটি এবং মন্দির চত্বরের সৌন্দর্যায়ন, আলোর ব্যবস্থা ও অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়েছে।
এছাড়াও রাজ্য সরকার ১০৮টি শিব মন্দির এর আলোকসজ্জা ও সংস্কার, কোচবিহারের হিরণ্যগর্ভ শিব মন্দির, উত্তর দিনাজপুরের প্রমথেশ্বর জিও শিব মন্দির, বীরভূমের বক্রেশ্বর, পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনের শ্যামলেশ্বর শিব মন্দিরসহ বিভিন্ন স্থানে উন্নয়নমূলক কাজ করেছে বলে জানান তিনি।
মহাশিবরাত্রির এই দিনে মুখ্যমন্ত্রী আবারও সকলকে ঐক্য, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার মনোভাব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন— বাংলার শক্তি তার সম্প্রীতি, সেটিই অটুট রাখতে হবে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

মহাশিবরাত্রিতে শান্তি ও সম্প্রীতির আহ্বান, বাংলাবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মহাশিবরাত্রিতে শান্তি ও সম্প্রীতির আহ্বান, বাংলাবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, রবিবার

 

মহাশিবরাত্রির পুণ্যতিথিতে রাজ্যজুড়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বাংলার মানুষের উদ্দেশ্যে শান্তি, সহাবস্থান ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং রাজ্যের বহু ধর্মীয় স্থানের উন্নয়নমূলক কাজের কথাও তুলে ধরেন।
নিজের বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলার ঐতিহ্যই হলো বহুত্ববাদ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ। সেই ঐতিহ্য রক্ষা করে সব ধর্মের মানুষের জন্য সমানভাবে ধর্মস্থানগুলির সংস্কার ও উন্নয়নে কাজ করছে রাজ্য সরকার।
তিনি উল্লেখ করেন, জলপাইগুড়ির বিখ্যাত জল্পেশ মন্দিরের সংস্কার ও ভক্তদের সুবিধার্থে স্কাইওয়াক নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি তারকেশ্বরমন্দিরের উন্নয়নের জন্য গঠন করা হয়েছে তারকেশ্বর ডেভেলপমেন্ট অথরিটি এবং মন্দির চত্বরের সৌন্দর্যায়ন, আলোর ব্যবস্থা ও অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়েছে।
এছাড়াও রাজ্য সরকার ১০৮টি শিব মন্দির এর আলোকসজ্জা ও সংস্কার, কোচবিহারের হিরণ্যগর্ভ শিব মন্দির, উত্তর দিনাজপুরের প্রমথেশ্বর জিও শিব মন্দির, বীরভূমের বক্রেশ্বর, পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনের শ্যামলেশ্বর শিব মন্দিরসহ বিভিন্ন স্থানে উন্নয়নমূলক কাজ করেছে বলে জানান তিনি।
মহাশিবরাত্রির এই দিনে মুখ্যমন্ত্রী আবারও সকলকে ঐক্য, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার মনোভাব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন— বাংলার শক্তি তার সম্প্রীতি, সেটিই অটুট রাখতে হবে।