১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, রবিবার, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুই বাংলার সম্পর্কের নতুন সুর: তারেক রহমানকে ফুল-মিষ্টি পাঠালেন মমতা

 

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পর দুই বাংলার সম্পর্কের উষ্ণতা আরও একবার সামনে এল। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের নবনির্বাচিত নেতৃত্বকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তারেক রহমান-এর উদ্দেশে ফুল ও বাংলার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি পাঠিয়েছেন।
ঢাকার গুলশনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর দলীয় কার্যালয়ে সেই উপহার পৌঁছেছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। ‘দিদি’র এই সৌজন্যে আবেগপ্রবণ হয়েছেন বিএনপি নেতৃত্ব ও কর্মীরা।
দুই বাংলার সাংস্কৃতিক ও খাদ্য ঐতিহ্যের বন্ধন বরাবরই গভীর। ইলিশ, আম আর মিষ্টির আদান-প্রদান বহুদিন ধরেই পারস্পরিক সৌহার্দ্যের প্রতীক। রাজনৈতিক টানাপোড়েনের সময় সম্পর্ক কিছুটা শীতল হলেও নতুন সরকারের সূচনায় আবার সেই সম্পর্ক মধুর করার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে।
নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশা প্রকাশ করেছিলেন যে নতুন নেতৃত্বের আমলে দুই বাংলার যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। এবার উপহার পাঠানোর মাধ্যমে সেই বার্তাই আরও স্পষ্ট হলো বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
অনেকের মতে, এই ‘মিষ্টি কূটনীতি’ ভবিষ্যতে দুই বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে নতুন গতি দিতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

দুই বাংলার সম্পর্কের নতুন সুর: তারেক রহমানকে ফুল-মিষ্টি পাঠালেন মমতা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দুই বাংলার সম্পর্কের নতুন সুর: তারেক রহমানকে ফুল-মিষ্টি পাঠালেন মমতা

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, রবিবার

 

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জয়ের পর দুই বাংলার সম্পর্কের উষ্ণতা আরও একবার সামনে এল। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের নবনির্বাচিত নেতৃত্বকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তারেক রহমান-এর উদ্দেশে ফুল ও বাংলার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি পাঠিয়েছেন।
ঢাকার গুলশনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর দলীয় কার্যালয়ে সেই উপহার পৌঁছেছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। ‘দিদি’র এই সৌজন্যে আবেগপ্রবণ হয়েছেন বিএনপি নেতৃত্ব ও কর্মীরা।
দুই বাংলার সাংস্কৃতিক ও খাদ্য ঐতিহ্যের বন্ধন বরাবরই গভীর। ইলিশ, আম আর মিষ্টির আদান-প্রদান বহুদিন ধরেই পারস্পরিক সৌহার্দ্যের প্রতীক। রাজনৈতিক টানাপোড়েনের সময় সম্পর্ক কিছুটা শীতল হলেও নতুন সরকারের সূচনায় আবার সেই সম্পর্ক মধুর করার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে।
নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশা প্রকাশ করেছিলেন যে নতুন নেতৃত্বের আমলে দুই বাংলার যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। এবার উপহার পাঠানোর মাধ্যমে সেই বার্তাই আরও স্পষ্ট হলো বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
অনেকের মতে, এই ‘মিষ্টি কূটনীতি’ ভবিষ্যতে দুই বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে নতুন গতি দিতে পারে।