১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মমতা শত্রুঘ্ন সিনহাকে দিলেন গুরুদায়িত্ব, বললেন আগামী বছরের বিজিবিএসে চলচ্চিত্রকেও সংযুক্ত করা হবে

পুবের কলম প্রতিবেদক: চলচ্চিত্রকেও আর পাঁচটা শিল্পের নজরে দেখা হোক। বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে অর্থ না থাকলেও প্রতিভার অভাব নেই। আর তাই আগামী বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে চলচ্চিত্রকে শিল্পের মর্যাদা দিয়ে শোকেজ করতে চান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার নজরুল মঞ্চে সেই কথাই জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে অনেক আশা বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি চান সাংস্কৃতিক রাজধানী কলকাতা আবার তার পুরনো ঐতিহ্য ও খ্যাতি ফিরে পাক।

এক্ষেত্রে টালিগঞ্জের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কাছে প্রধান অন্তরায় অর্থ সে ভালোভাবেই বোঝেন তিনি। তাই বাংলার প্রতিভাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরে এই অর্থনৈতিক সংকট চিরতরে দূর করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মুখ্যসচিব হরি কৃষ্ণ দ্বিবেদীকে নির্দেশ দেন আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে যখন বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে তখন অন্যান্য সেক্টরের সঙ্গে যেন এই সেক্টরকেও তুলে ধরা হয়।

আরও পড়ুন: ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে তৎপর মমতা, ভবানীপুরে বিএলএ-দের নিয়ে তৃতীয়বার বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা আসানসোলে সাংসদকে একটি গুরু দায়িত্ব দিলেন। তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বাংলা সিনেমার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছে তাঁর সরকার। হিন্দি এবং অন্যান্য ভাষার পাশাপাশি বাংলা সিনেমাকেও যাতে সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখানো হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার আইন এনেছে বলেও জানান মমতা। এরপর কিছুটা আক্ষেপ থেকে ওঠে তার গলায়। মমতা বলেন আমি মনে করি বাংলা সিনেমাই শ্রেষ্ঠ। কিন্তু সেভাবে তার ব্র্যান্ডিং করা যায়নি। আমরা বলিউডের সিনেমাকে সম্মান করি। বলিউডে অনেক টাকা, কিন্তু বাংলায় তা নেই। আর সে কারণেই এদিন নবনির্বাচিত আসানসোলের সাংসদ তথা কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রধান অতিথি শত্রুঘ্ন সিনহাকে এ রাজ্যের সিনেমার জন্য বলিউড থেকে অর্থ সংস্থানের দায়িত্ব দেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলা সিনেমার যথেষ্ট কদর রয়েছে। বাংলা সিনেমার গুরুত্ব না থাকলে, তা হলে বাইরে ৪৭টি সিনেমা আসত! এবছর ১০টি সরকারি হলে ১৬৩ সিনেমা দেখানো হবে। তার মধ্যে অন্যদেশের সিনেমা ৪৭টা।

আরও পড়ুন: নেতাজির জন্মজয়ন্তীতেও এসআইআর নিয়ে তীব্র আক্রমণ, কেন্দ্র ও কমিশনকে কাঠগড়ায় তুললেন মমতা

 

আরও পড়ুন: সংশোধনীর নামে ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা চলছে: ফের জ্ঞানেশকে চিঠি উদ্বিগ্ন মমতার

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বাংলাদেশে আপাতত শান্তিপূর্ণভাবে চলছে ভোট: সকাল থেকেই বুথমুখী মানুষের ঢল

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মমতা শত্রুঘ্ন সিনহাকে দিলেন গুরুদায়িত্ব, বললেন আগামী বছরের বিজিবিএসে চলচ্চিত্রকেও সংযুক্ত করা হবে

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০২২, সোমবার

পুবের কলম প্রতিবেদক: চলচ্চিত্রকেও আর পাঁচটা শিল্পের নজরে দেখা হোক। বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে অর্থ না থাকলেও প্রতিভার অভাব নেই। আর তাই আগামী বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে চলচ্চিত্রকে শিল্পের মর্যাদা দিয়ে শোকেজ করতে চান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার নজরুল মঞ্চে সেই কথাই জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে অনেক আশা বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি চান সাংস্কৃতিক রাজধানী কলকাতা আবার তার পুরনো ঐতিহ্য ও খ্যাতি ফিরে পাক।

এক্ষেত্রে টালিগঞ্জের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কাছে প্রধান অন্তরায় অর্থ সে ভালোভাবেই বোঝেন তিনি। তাই বাংলার প্রতিভাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরে এই অর্থনৈতিক সংকট চিরতরে দূর করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মুখ্যসচিব হরি কৃষ্ণ দ্বিবেদীকে নির্দেশ দেন আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে যখন বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে তখন অন্যান্য সেক্টরের সঙ্গে যেন এই সেক্টরকেও তুলে ধরা হয়।

আরও পড়ুন: ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে তৎপর মমতা, ভবানীপুরে বিএলএ-দের নিয়ে তৃতীয়বার বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা আসানসোলে সাংসদকে একটি গুরু দায়িত্ব দিলেন। তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বাংলা সিনেমার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছে তাঁর সরকার। হিন্দি এবং অন্যান্য ভাষার পাশাপাশি বাংলা সিনেমাকেও যাতে সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখানো হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার আইন এনেছে বলেও জানান মমতা। এরপর কিছুটা আক্ষেপ থেকে ওঠে তার গলায়। মমতা বলেন আমি মনে করি বাংলা সিনেমাই শ্রেষ্ঠ। কিন্তু সেভাবে তার ব্র্যান্ডিং করা যায়নি। আমরা বলিউডের সিনেমাকে সম্মান করি। বলিউডে অনেক টাকা, কিন্তু বাংলায় তা নেই। আর সে কারণেই এদিন নবনির্বাচিত আসানসোলের সাংসদ তথা কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রধান অতিথি শত্রুঘ্ন সিনহাকে এ রাজ্যের সিনেমার জন্য বলিউড থেকে অর্থ সংস্থানের দায়িত্ব দেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলা সিনেমার যথেষ্ট কদর রয়েছে। বাংলা সিনেমার গুরুত্ব না থাকলে, তা হলে বাইরে ৪৭টি সিনেমা আসত! এবছর ১০টি সরকারি হলে ১৬৩ সিনেমা দেখানো হবে। তার মধ্যে অন্যদেশের সিনেমা ৪৭টা।

আরও পড়ুন: নেতাজির জন্মজয়ন্তীতেও এসআইআর নিয়ে তীব্র আক্রমণ, কেন্দ্র ও কমিশনকে কাঠগড়ায় তুললেন মমতা

 

আরও পড়ুন: সংশোধনীর নামে ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা চলছে: ফের জ্ঞানেশকে চিঠি উদ্বিগ্ন মমতার