০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, রবিবার, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা-গণহত্যা মামলার বিরুদ্ধে মায়ানমারে বিক্ষোভ

মায়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)-তে চলমান মামলার প্রতিবাদে দেশটিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানী ইয়াঙ্গুনের কেন্দ্রে আয়োজিত এই সমাবেশে কয়েকশ মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন উগ্র জাতীয়তাবাদী কর্মী ও গেরুয়া পোশাকধারী বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। তাদের হাতে ছোট জাতীয় পতাকা ও এমন ব্যানার দেখা যায়, যেখানে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জাতিগত নির্মূল অভিযানের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। ঢোলের তালে তালে নাচ ও স্লোগানের মধ্য দিয়ে তারা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জাতীয়তাবাদী নেতা উইন কো কো বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, দেশের সম্মান, সত্য ও ন্যায়বিচার রক্ষার দাবিতেই তারা রাস্তায় নেমেছেন। তাঁর দাবি, মিয়ানমারে গণহত্যা ঘটেনি এবং দেশটি শান্তি ও সহমর্মিতার ভূমি।
উল্লেখ্য, মিয়ানমার সরকার দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে যে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীদের বংশধর এবং ২০১৭ সালের সামরিক অভিযান ছিল সন্ত্রাস দমনের পদক্ষেপ। তবে সেই অভিযানে প্রাণ বাঁচাতে এক কোটির কাছাকাছি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
আইসিজেতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগের শুনানি শুরু হয় ১২ জানুয়ারি, যা আগামী বৃহস্পতিবার শেষ হওয়ার কথা।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

যুদ্ধের দামামা: ইরানকে সহায়তায় এগিয়ে এল হাজার হাজার ইরাকি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রোহিঙ্গা-গণহত্যা মামলার বিরুদ্ধে মায়ানমারে বিক্ষোভ

আপডেট : ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার

মায়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)-তে চলমান মামলার প্রতিবাদে দেশটিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানী ইয়াঙ্গুনের কেন্দ্রে আয়োজিত এই সমাবেশে কয়েকশ মানুষ অংশ নেন।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন উগ্র জাতীয়তাবাদী কর্মী ও গেরুয়া পোশাকধারী বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। তাদের হাতে ছোট জাতীয় পতাকা ও এমন ব্যানার দেখা যায়, যেখানে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জাতিগত নির্মূল অভিযানের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। ঢোলের তালে তালে নাচ ও স্লোগানের মধ্য দিয়ে তারা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জাতীয়তাবাদী নেতা উইন কো কো বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, দেশের সম্মান, সত্য ও ন্যায়বিচার রক্ষার দাবিতেই তারা রাস্তায় নেমেছেন। তাঁর দাবি, মিয়ানমারে গণহত্যা ঘটেনি এবং দেশটি শান্তি ও সহমর্মিতার ভূমি।
উল্লেখ্য, মিয়ানমার সরকার দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে যে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীদের বংশধর এবং ২০১৭ সালের সামরিক অভিযান ছিল সন্ত্রাস দমনের পদক্ষেপ। তবে সেই অভিযানে প্রাণ বাঁচাতে এক কোটির কাছাকাছি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
আইসিজেতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগের শুনানি শুরু হয় ১২ জানুয়ারি, যা আগামী বৃহস্পতিবার শেষ হওয়ার কথা।