আবদুল ওদুদ: কথায় নয় বরং কাজে বিশ্বাসী তিনি, ফের একবার সেই প্রমাণ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওড়িশায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে নিহত সুতির যুবক জুয়েল রানার পরিবারের প্রতি দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালন করল রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ খলিলুর রহমান খলিল ব্যক্তিগতভাবে জুয়েল রানার বাড়িতে গিয়ে তাঁর শোকাতুর মায়ের হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার তুলে দেন। গত ২৪শে ডিসেম্বর ওড়িশার সম্বলপুরে মর্মান্তিক পরিস্থিতির শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন সুতি বিধানসভার চক বাহাদুরপুর গ্রামের এই যুবক। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্যকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়া রানার পরিবারের পাশে শুরু থেকেই দাঁড়িয়েছে সরকার ও প্রশাসন।
উল্লেখ্য, যে জুয়েল রানার অকাল প্রয়াণের খবর পাওয়ার পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং পরিবারের সহায়তায় ২ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেন। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১লা জানুয়ারি সাংসদ খলিলুর রহমান মৃত যুবকের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করেন এবং তাঁদের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে আজ নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হলো। জানা গিয়েছে যে বুধবার থেকেই জুয়েল রানার মা সুতির বিএলআরও অফিসে তাঁর নতুন কর্মজীবনে যোগদান করবেন। ছেলের অকাল মৃত্যুতে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে তা পূরণ করা সম্ভব না হলেও সরকারের এই মানবিক পদক্ষেপে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছে পরিবারটি। সাংসদ খলিলুর রহমান জানান যে এই দুঃখের সময়ে সরকার সবসময় তাঁদের পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও যে কোনো প্রয়োজনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হবে। এলাকার সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহল মুখ্যমন্ত্রীর এই দ্রুত পদক্ষেপ এবং সাংসদের সক্রিয়তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।


































