১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বর্ষার পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে নবান্ন, রাজ্যজুড়ে কমপক্ষে মৃত ১৪

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতার একাধিক অঞ্চল। এর মধ্যেই আবার আগামী শনিবার থেকে নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের জেরে ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। গত কয়েকদিনে রাজ্যজুড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। সোমবার বিকেলে নবান্নে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করেছে। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে,  জেলায় জেলায় অতিবর্ষণের জেরে গত ১৪ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবারের পর এই সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মৃত ১৪ জনের মধ্যে জলে ডুবে মারা গেছে ৮ জন। দেওয়াল ভেঙে ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাকি ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে, শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত রাজ্যের ৪৭ টি ব্লক, এবং ৮ টি পুরসভা পুরোপুরি জলের তলায়। জলবন্দি হয়ে রয়েছেন ১৩ লক্ষ ১৪ হাজার ৩২৮ জন মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ পার করেছে।

বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজ্যজুড়ে ৫৭৭টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। ৮০ হাজারের বেশি ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।  জলমগ্ন এলাকাগুলি থেকে ১ লক্ষ 8১ হাজার নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়েছে। নবান্নে ২৪ টা কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। অবস্থার ওপর নজর রাখছে জেলা ও রাজ্য প্রশাসন।

রবিবার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টির প্রভাবে এখনও জলমগ্ন কলকাতা। কোথাও হাঁটু সমান আবার কোমড় সমান জল। আজ মঙ্গলবার বৃষ্টি একটু কমলেও মেঘলা আকাশ। তবে আজও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।

সর্বধিক পাঠিত

আমেরিকা হামলা চালালে ইরানকে সহায়তা করতে প্রস্তুত আফগানিস্তান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বর্ষার পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে নবান্ন, রাজ্যজুড়ে কমপক্ষে মৃত ১৪

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ প্রবল বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতার একাধিক অঞ্চল। এর মধ্যেই আবার আগামী শনিবার থেকে নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের জেরে ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। গত কয়েকদিনে রাজ্যজুড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। সোমবার বিকেলে নবান্নে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করেছে। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে,  জেলায় জেলায় অতিবর্ষণের জেরে গত ১৪ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবারের পর এই সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মৃত ১৪ জনের মধ্যে জলে ডুবে মারা গেছে ৮ জন। দেওয়াল ভেঙে ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাকি ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে, শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত রাজ্যের ৪৭ টি ব্লক, এবং ৮ টি পুরসভা পুরোপুরি জলের তলায়। জলবন্দি হয়ে রয়েছেন ১৩ লক্ষ ১৪ হাজার ৩২৮ জন মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ পার করেছে।

বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজ্যজুড়ে ৫৭৭টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। ৮০ হাজারের বেশি ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।  জলমগ্ন এলাকাগুলি থেকে ১ লক্ষ 8১ হাজার নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়েছে। নবান্নে ২৪ টা কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। অবস্থার ওপর নজর রাখছে জেলা ও রাজ্য প্রশাসন।

রবিবার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টির প্রভাবে এখনও জলমগ্ন কলকাতা। কোথাও হাঁটু সমান আবার কোমড় সমান জল। আজ মঙ্গলবার বৃষ্টি একটু কমলেও মেঘলা আকাশ। তবে আজও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।