১০ ডিসেম্বর ২০২৫, বুধবার, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিহারে নয়া সমীকরণ! এনডিএ ছাড়লেন সাংসদ মেহবুব

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক:  সংসদের উচ্চকক্ষে বিজেপির কোনও মুসলিম সাংসদ নেই। বিহারে যদিও বা একজন ছিলেন বিজেপির শরিক দলের, তিনিও এবার অন্য দলে যোগ দিলেন। রবিবার বিহারের এলজেপি সাংসদ মেহবুব আলি কাইসের যোগ দিয়েছে আরজেডি’তে। উল্লেখ্য, বিহারে এনডিএ জোটের শরিক দল এলজেপি। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে মেহবুব এনডিএ-র প্রার্থী হিসেবে ভোটে লড়েছিলেন।

 

২৪-এর এই লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার পর তাঁর এই দলবদল বিহারের রাজনীতিতে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এদিন তাঁকে আরজেডি-তে স্বাগত জানান লালুপ্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বী যাদব। মেহবুবের যোগদান প্রসঙ্গে তেজস্বী সাংবাদিকদের বলেন, লালজির সঙ্গে সাক্ষাতের পর মহবুব সাহেব আমাদের দলে যোগ দিয়েছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে লাগবে। সংবিধান রক্ষায় আমাদের এই লড়াইয়ের পক্ষে আরও বড় বার্তা যাবে জনতার কাছে। কারণ, বিজেপির ক্ষমতায় থাকা সংবিধানের পক্ষে হুমকির।

 

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক জীবন কংগ্রেস থেকেই শুরু করেছিলেন মেহবুুব। ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি বিহার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রদান পদে ছিলেন। এরপর ২০১৪ সালে তিনি এলজেপিতে যোগদান করেন এবং খাগারিয়া অসন থেকে জিতে সাংসদ হন। এলজেপির অবশ্য দাবি, ছেলের জন্য টিকিট চেয়েছিলেন মেহবুুব। কিন্তু, পার্টির সুপ্রিমো চিরাগ পাসওয়ান রাজী না হওয়ায় দল ছেড়েছেন মেহবুব।

 

এদিকে, এমনিতেই নীতীশের একাধিকবার দলবদলের কারণে রাজ্যের মানুষ ক্ষুব্ধ। প্রথম দফার ভোটেই তার প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ, প্রথম দফায় দেশের মধ্যে সব থেকে কম ভোট পড়েছে এই বিহারেই। মনে করা হচ্ছে, এই দল বদলানোর লাগাতার রাজনীতির কারণে রাজনীতিবিদ্দের উপর থেকে সাধারণ মানুষের আস্থা উঠে যাচ্ছে। তারই প্রভাব ভোটবাক্সে পড়েছে। মেহবুব আরজেডিতে যোগ দেওয়ায় লোকসভা ভোটে তাঁর কেন্দ্রের মুসলিম ভোট লালুর দলেই যাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

 

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

বিশ্বের শ্রেষ্ঠ গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে বিজেপি–আরএসএস: ভোটচুরি নিয়ে তোপ রাহুলের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিহারে নয়া সমীকরণ! এনডিএ ছাড়লেন সাংসদ মেহবুব

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২৪, রবিবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক:  সংসদের উচ্চকক্ষে বিজেপির কোনও মুসলিম সাংসদ নেই। বিহারে যদিও বা একজন ছিলেন বিজেপির শরিক দলের, তিনিও এবার অন্য দলে যোগ দিলেন। রবিবার বিহারের এলজেপি সাংসদ মেহবুব আলি কাইসের যোগ দিয়েছে আরজেডি’তে। উল্লেখ্য, বিহারে এনডিএ জোটের শরিক দল এলজেপি। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে মেহবুব এনডিএ-র প্রার্থী হিসেবে ভোটে লড়েছিলেন।

 

২৪-এর এই লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার পর তাঁর এই দলবদল বিহারের রাজনীতিতে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এদিন তাঁকে আরজেডি-তে স্বাগত জানান লালুপ্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বী যাদব। মেহবুবের যোগদান প্রসঙ্গে তেজস্বী সাংবাদিকদের বলেন, লালজির সঙ্গে সাক্ষাতের পর মহবুব সাহেব আমাদের দলে যোগ দিয়েছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে লাগবে। সংবিধান রক্ষায় আমাদের এই লড়াইয়ের পক্ষে আরও বড় বার্তা যাবে জনতার কাছে। কারণ, বিজেপির ক্ষমতায় থাকা সংবিধানের পক্ষে হুমকির।

 

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক জীবন কংগ্রেস থেকেই শুরু করেছিলেন মেহবুুব। ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি বিহার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রদান পদে ছিলেন। এরপর ২০১৪ সালে তিনি এলজেপিতে যোগদান করেন এবং খাগারিয়া অসন থেকে জিতে সাংসদ হন। এলজেপির অবশ্য দাবি, ছেলের জন্য টিকিট চেয়েছিলেন মেহবুুব। কিন্তু, পার্টির সুপ্রিমো চিরাগ পাসওয়ান রাজী না হওয়ায় দল ছেড়েছেন মেহবুব।

 

এদিকে, এমনিতেই নীতীশের একাধিকবার দলবদলের কারণে রাজ্যের মানুষ ক্ষুব্ধ। প্রথম দফার ভোটেই তার প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ, প্রথম দফায় দেশের মধ্যে সব থেকে কম ভোট পড়েছে এই বিহারেই। মনে করা হচ্ছে, এই দল বদলানোর লাগাতার রাজনীতির কারণে রাজনীতিবিদ্দের উপর থেকে সাধারণ মানুষের আস্থা উঠে যাচ্ছে। তারই প্রভাব ভোটবাক্সে পড়েছে। মেহবুব আরজেডিতে যোগ দেওয়ায় লোকসভা ভোটে তাঁর কেন্দ্রের মুসলিম ভোট লালুর দলেই যাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।