পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার দশম বারের জন্য বিহারের সিংহাসনে বসেছেন নীতীশ কুমার। এদিন পাটনার গান্ধী ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা-সহ এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীরা। নীতীশ সরকারের আগের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী ও বিজয় সিনহা—দু’জনেই ফের ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন। এর মধ্যে সম্রাট চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন বিহার বিজেপির সংসদীয় দলনেতা, বিজয় সিনহা হয়েছেন উপদলনেতা। মোট ১৯ জন নেতা এদিন মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন। মন্ত্রিসভার গঠনে স্পষ্টই হয়েছে যে এনডিএ–র ‘বিগ ব্রাদার’ বিজেপি। ১৯ সদস্যের মন্ত্রিসভার মধ্যে ১০ জনই বিজেপি নেতাকে জায়গা দেওয়া হয়েছে। চিরাগ পাসওয়ানের এলজেপি (আর), জিতন রাম মাঝির হাম ও উপেন্দ্র কুশওয়াহার আরএলএম পেয়েছে একটি করে মন্ত্রক। নীতীশ কুমারের জেডিইউ–র শপথগ্রহণকারী মন্ত্রী মাত্র ৬ জন।
আগে ঠিক হয়েছিল, প্রতি ছ’জন বিধায়ক পিছু একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী করা হবে। সেই হিসাব অনুযায়ী বিজেপি পেত ১৫টি, নীতীশের জেডিইউ ১৩-১৪টি, এলজেপি (আর) ৩টি এবং হাম ও আরএলএম একটি করে মন্ত্রক। তবে শপথগ্রহণে সে ফর্মুলা কার্যকর হয়নি। পরবর্তীতে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের সুযোগ থাকছে। বিহারের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই প্রধান মুখ নীতীশ কুমার। প্রায় ২০ বছর ধরে একাধিক মেয়াদে মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকেছেন তিনি। কখনও বিজেপি, কখনও আরজেডির সঙ্গে জোট করে ৯ বার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। প্রথমবার সমতা পার্টির হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন মাত্র ৭ দিনের জন্য। এরপর থেকেই বিহারের রাজনীতিতে অদম্য শক্তি হয়ে উঠেছেন নীতীশ।





























