কুতুব উদ্দিন মোল্লা, ক্যানিং: চারিদিকে বর্ষার জল জমেছে। চাষীরা ধান চাষ করার জন্য মাঠে নেমে পড়েছেন। কেউ বীজতলা তৈরী করছেন আবার কেউ কেউ ধান রোয়ার কাজ শুরু করেছেন। সমগ্র বাংলা জুড়ে এমন দৃশ্য অহরহ চোখে পড়বেই। তবে বর্ষায় জমিতে ধান চাষের পরিবর্তে একে বারেই সড়কের উপর ধান চাষ করলেন গ্রামের কয়েকজন যুবক।
যা সুন্দরবনের বুকে বিরল।আরও পড়ুন:
হাজার হাজার লোকের বসবাস সেখানে। যাতায়াতের একমাত্র সড়ক পথ গোলাবাড়ি থেকে মধুখালি খেয়াঘাট পর্যন্ত প্রায় সাত কিমি রাস্তা। এলাকার মানুষজন যাতায়াতের জন্য এই একটি মাত্র রাস্তার উপর নির্ভরশীল। বর্ষা শুরু হতেই রাস্তার কঙ্কালসার অবস্থা বেরিয়ে পড়েছে।
যা ধান চাষের জমি কিংবা মাছ চাষের পুকুরের মতো রুপ ধারণ করেছে। গ্রামের সাধারণ মানুষজন যাতায়াতের সময় প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন বলে অভিযোগ। এছাড়াও স্কুল কলেজের ছাত্রী ছাত্রীরা স্কুলে যেতে সমস্যায় পড়ে।তাছাড়াও মুমূর্ষ রোগী কিংবা প্রসুতি মায়েদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে নাভিঃশ্বাস উঠে।কোন যানবাহন চলে না। সমস্যায় রয়েছেন গ্রামের মানুষজন।গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ‘বিভিন্ন জায়গায় দরবার করেও রাস্তা সংস্কারের কাজ হয়নি।রাস্তার উপর যে আস্থা ছিল তা ক্রমশ লোপ পেতে শুরু করেছে। ফলে গ্রামের মানুষজন বীতশ্রদ্ধ হয়ে রাস্তায় জমা জলে ধানগাছ রোপণ করে নিঃশব্দ প্রতিবাদ শুরু করেছেন।’
আরও পড়ুন:
এলাকার মানুষজনের দাবী সরকার যেখানে কোটি কোটি টাকার রাস্তা তৈরী করছে এবং সাইনবোর্ড লাগাচ্ছে ‘রাস্তা আমাদের আস্থা’ সেখানে ক্যানিং শহর লাগোয়া গ্রামের এমন বেহালদশা। আমরা চাই সরকার গ্রামের এই ভগ্নদশা রাস্তার দিকে অবিলম্বে নজর দিয়ে অতি শীঘ্রই সংস্কারের কাজ শুরু করুক সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য।