পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ফের ছাত্র আন্দোলন, ফের বাংলাদেশ! তবে এবার ছাত্রদের সরাসরি ক্ষোভের মুখে পড়ল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। যাদের আন্দোলনের জেরে পতন হয়েছিল শেখ হাসিনা সরকারের। সেই ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ সঙ্গে পুলিশের সংহির্শে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল ঢাকা। শুক্রবার জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দিনভর নাটকীয় পরিস্থিতির সাক্ষী থাকল ওপার বাংলা। প্রবল বিক্ষোভের মধ্যেই স্বাক্ষরিত হয় জুলাই সনদ। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, এদিন বিক্ষোভের মুখে জাতীয় সনদের অঙ্গীকারনামার পঞ্চম দফা সংশোধন করা হয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের দাবিতে রাজধানী ঢাকায় সংসদ ভবনের সামনে শুরু হয় আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ। ছাত্র অবস্থান সরিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে গেলে পুলিসের সঙ্গেও ব্যাপক সংঘর্ষে লিপ্ত হয় আন্দোলনকারীরা। এরপরেই ‘অ্যাকশনে মুডে’ দেখা যায় মহম্মদ ইউনুসের পুলিশকে। ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পুলিশের সঙ্গে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। পাশাপাশি পুলিশের ব্যারিকেডের জন্য ব্যবহৃত ‘রোড ব্লকারগুলি’ একত্রিত করে আগুন ধরিয়ে দেন তারা। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপও করা হয়। ভাঙচুর করা হয় কয়েকটি যানবাহনও। পাল্টা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে পুলিশ।
এদিকে শনিবার ঢাকায় সংসদ ভবনের সামনে একাধিক দাবি দাওয়াকে সামনে রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন জুলাই যোদ্ধারা। এরপরেই বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের তরফে লাঠিচার্জ করা হয় বলে খবর সূত্রের। পুলিশের আঘাতের পাল্টা দিতে শুরু করেন ছাত্ররা। শুরু হয় ইটবৃষ্টি। দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয় অন্তত ৩৬ জন।





























