পুবের কলম প্রতিবেদক: রবিবার কলকাতা বইমেলায় এল এফ বুকস-এর স্টলে (৩০৩) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হল বিশিষ্ট লেখক, প্রাবন্ধিক ও গবেষক জাহিরুল হাসানের গবেষণাসমৃদ্ধ বই ‘ইতিহাসের খলনায়ক’। একইসঙ্গে এ দিন তাঁর স্ত্রী মনিরা বেগমের ‘বাদশাহি রান্না’ শীর্ষক বইও প্রকাশিত হয়। বিকাল তিনটার ওই বইপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুবের কলম-এর সম্পাদক ও রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ আহমদ হাসান ইমরান, হ্যাংলা হেঁশেল-এর সম্পাদক অনিলাভ চট্টোপাধ্যায়, বাংলাদেশের বিশিষ্ট লেখক মাসুদ করিম, লেখক-কন্যা তথা বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. শবনম জাহির প্রমুখ।
আরও পড়ুন:
এ দিন অনুষ্ঠানের শুরুতেই সংগীত পরিবেশন করেন ডা. শবনম জাহির।
‘ইতিহাসের খলনায়ক’ পুস্তকটি উদ্বোধন করেন আহমদ হাসান ইমরান, অন্যদিকে ‘বাদশাহি রান্না’ শীর্ষক বইটির উদ্বোধন করেন অনিলাভ চট্টোপাধ্যায়। সেই অনুষ্ঠানেই বিশিষ্টদের উপস্থিতিতে জাহিরুল হাসান সম্পাদিত সান্মাসিক বই ‘বাঙালির বইপড়া’র প্রচ্ছদ ও সূচিপত্রের আগাম ঘোষণাও করা হয়। ‘বাঙালির বইপড়া’র প্রচ্ছদ ও সূচিপত্রের পোস্টার শিশু-কবি নির্ঝর জুলফিকার-এর হাতে তুলে দেন মাসুদ করিম।আরও পড়ুন:
জাহিরুল হাসান-এর বই সম্পর্কে আহমদ হাসান ইমরান বলেন, তার পাণ্ডিত্য ও গবেষণা গুনে বইটি ভালো হবে।
সবাই নায়কদের নিয়ে লেখালেখি করেন, কিন্তু জাহিরুল হাসান খলনায়কদের নিয়েই বই লিখেছেন। অন্যদিকে মনিরা বেগমের ‘বাদশাহি রান্না’ পুস্তক সম্পর্কে ইমরান বলেন, আজকাল বাদশাহি সিস্টেমটাই উঠে যাচ্ছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে দু’একটি দেশে রয়েছে। বাদশাহ না থাকলেও সেই রান্না খেয়ে মানুষ অন্তত একবেলার জন্য বাদশাহ হতে পারেন। পাঠকরা মনিরা বেগমের রান্নার বই পড়ে বাদশাহি রান্নার কৌশল রপ্ত করতে পারবেন এবং নতুন কিছু জানতে পারবেন বলেও আশা ব্যক্ত করেন আহমদ হাসান ইমরান।আরও পড়ুন:
এ দিন জাহিরুল হাসান বলেন, পৃথিবীর সবাই কিন্তু শেষে একজন মানুষ, সে খলনায়কই হোন না কেন। তিনি আরও বলেন, খলনায়কদের নিয়ে লিখতে গিয়ে সেই সময়ের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হয়েছে। ভুলে ভরা ইতিহাস সরিয়ে প্রকৃত ইতিহাস তুলে আনার জন্য সেই সময়ে প্রকাশিত বই উদ্ধার করতে হয়েছে তাঁকে। নিরো থেকে তৈমুর সকলেই আসলে প্রকাশিত বা বাহ্যিক জীবনের আড়ালে অন্যরকম মানুষ ছিলেন, সেটাই তুলে ধরা উদ্দেশ্য বলেও জানান জাহিরুল হাসান।
আরও পড়ুন:
মনিরা বেগম জানান, তিনি রান্না-বান্না ভালোবাসেন, সেই সূত্রেই লেখার প্রতি আগ্রহ। তিনি প্রকাশনা সংস্থা এল এফ বুকস-এর পাশাপাশি হ্যাংলা হেঁশেল-এর সম্পাদক অনিলাভ চট্টোপাধ্যায়কেও ধন্যবাদ জানান।