পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: চেন্নাইয়ের কোলাতুরে সোমনাথস্বামী মন্দিরের কিছু জায়গা নিয়ে একটি সরকারি কলেজ গড়ার যে পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার তার বিরোধিতা করে মন্দির কর্তৃপক্ষ মাদ্রাজ হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেই মামলা খারিজ করে রাজ্য সরকারের পক্ষেই রায় দেয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েও লাভ হল না মন্দির কর্তৃপক্ষের। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি বিক্রম নাথের ডিভিশন বেঞ্চ মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়কেই বহাল রাখল। মন্দিরের জমি নিয়ে সরকারি কলেজ গড়ার এই সরকারি সিদ্ধান্ত ঘিরে তামিলনাড়ুতে রাজনীতি এখন সরগরম। কোলাতুর আবার মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিনের নির্বাচনকেন্দ্র।
বিরোধীরা অভিযোগ করেছেন, সরকার মন্দিরের তহবিল নয়ছয় করে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগাচ্ছে। । শাসক ডিএমকে বলেছে, দল বা মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কাজে কিছু করা হচ্ছে না। এখানে কলেজ হবে, যেখানে সর্বস্তরের ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনার সুযোগ পাবে।
২০২৪ সালের অক্টোবরে একক বিচারপতির এজলাসে প্রথম মামলা হয়। কোলাতুরের সোমনাথস্বামী মন্দিরের আড়াই একর জমি ২৫ বছরের জন্য ইজারা নিয়ে মায়লাপুরের শ্রীকপিলেশ্বর মন্দিরকে দিচ্ছে সরকার। ওই মন্দিরের অধীনেই আর্টস এবং সায়েন্স কলেজ গড়া হবে। মামলা করেছিলেন টি আর রমেশ। তাঁর দাবি হিন্দু রিলিজিয়াস অ্যান্ড চ্যারিটেবল এনডাওমেন্ট আইন অমান্য করে এই কাজ করা হচ্ছে। একক বিচারপতি সরকারের পক্ষে রায় দেন। হাইকোর্ট সেই রায় বহাল রাখে।
সুপ্রিম কোর্টও বলল, আমরা এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে চাই না। তামিলনাড়ুর হিন্দু রিলিজিয়াস অ্যান্ড চ্যারিটেবল এনডাওমেন্ট মন্ত্রী পি কে শেখরবাবু সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, ডিএমকে সরকার ক্ষমতাসীন হয়ে তামিলনাড়ুর ৩৫০৩ টি মন্দির পুনস্থাপিত করেছে। ২০২৬ এর জানুয়ারিতে এই সংখ্যা বেড়ে ৪০০০ হয়ে যাবে।





























