১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শশী যোগ্য ব্যক্তি, চাইলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেই পারেন : কংগ্রেস 

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ সম্প্রতি মালায়ালাম দৈনিক ‘মাত্রুভুমি’-র জন্য একটি প্রতিবেদন লিখেছেন তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুর।সেখানে তিনি কংগ্রেস সভাপতি বেছে নেওয়ার জন্য ‘অবাধ ও সুষ্ঠু’ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর সেই প্রতিবেদনের পর থেকেই জল্পনা তৈরি হয়েছে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে।শশী বলেন, আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না। তবে কংগ্রেস পার্টির জন্য এই নির্বাচন ভালো হবে।

 

আরও পড়ুন: মমতার প্রস্তাবে নজিরবিহীন সাড়া: মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে একজোট কংগ্রেস-সপা-সহ বিরোধী শিবির

শশী থারুর দলের সভাপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য ব্যক্তি। বুধবার এমনটাই বলেন, কেরালা কংগ্রেস প্রধান কে সুধাকরণ। তিনি বলেন,শশী থারুর যদি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান তবে তাঁকে দোষারোপ করার কোনও কারণ তিনি দেখেন না। কংগ্রেস একটি গণতান্ত্রিক দল এবং এর সদস্যদের দলের শীর্ষ পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সম্পূর্ণ অধিকার তাঁর রয়েছে। তাহলে কংগ্রেসের সভাপতি পদের নির্বাচনে কি তিনি প্রাথী হচ্ছেন?  এই জল্পনার মাঝেই শশী থারুর মঙ্গলবার বলেছিলেন, নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি আসার পরেই রিংয়ে টুপি ফেলবেন কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

আরও পড়ুন: “মনরেগার ধারণাই শেষ করে দিতে চাইছে বিজেপি”, নয়া আইনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক রাহুলের

 

আরও পড়ুন: মসজিদের ভিতর ছুরিকাঘাতে খুন কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি, মহারাষ্ট্রে চাঞ্চল্য

শশী থারুর জানিয়েছেন, যে ২৩ জন নেতা ২০২০ সালে কংগ্রেস প্রধান সনিয়া গান্ধিকে সাংগঠনিক সংস্কার চেয়ে চিঠি লিখেছিলেন, তিনি তাঁদের মধ্যে একজন। নতুন সভাপতি নির্বাচন করা হল আসলে দলের পুনরুজ্জীবনের একটি সূচনা, যা এই মুহূর্তে কংগ্রেসের খুব প্রয়োজন।

 

সামগ্রিকভাবে দলের পুনর্নবীকরণের প্রয়োজন। তবে সবচেয়ে জরুরি নেতৃত্বের অবস্থান। যা পূরণ করার জন্য নতুন কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন প্রয়োজন বলেই মনে করেন শশী থারুর। তিনি বলেন, দলের কী সমস্যা আছে তা ঠিক করার জন্য সভাপতির একটি পরিকল্পনা থাকা উচিত, পাশাপাশি ভারতের জন্য দরকার একটি স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

নির্বাচনী ফলাফল প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শশী যোগ্য ব্যক্তি, চাইলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেই পারেন : কংগ্রেস 

আপডেট : ৩১ অগাস্ট ২০২২, বুধবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ সম্প্রতি মালায়ালাম দৈনিক ‘মাত্রুভুমি’-র জন্য একটি প্রতিবেদন লিখেছেন তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুর।সেখানে তিনি কংগ্রেস সভাপতি বেছে নেওয়ার জন্য ‘অবাধ ও সুষ্ঠু’ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর সেই প্রতিবেদনের পর থেকেই জল্পনা তৈরি হয়েছে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে।শশী বলেন, আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না। তবে কংগ্রেস পার্টির জন্য এই নির্বাচন ভালো হবে।

 

আরও পড়ুন: মমতার প্রস্তাবে নজিরবিহীন সাড়া: মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে একজোট কংগ্রেস-সপা-সহ বিরোধী শিবির

শশী থারুর দলের সভাপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য ব্যক্তি। বুধবার এমনটাই বলেন, কেরালা কংগ্রেস প্রধান কে সুধাকরণ। তিনি বলেন,শশী থারুর যদি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান তবে তাঁকে দোষারোপ করার কোনও কারণ তিনি দেখেন না। কংগ্রেস একটি গণতান্ত্রিক দল এবং এর সদস্যদের দলের শীর্ষ পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সম্পূর্ণ অধিকার তাঁর রয়েছে। তাহলে কংগ্রেসের সভাপতি পদের নির্বাচনে কি তিনি প্রাথী হচ্ছেন?  এই জল্পনার মাঝেই শশী থারুর মঙ্গলবার বলেছিলেন, নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি আসার পরেই রিংয়ে টুপি ফেলবেন কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।

আরও পড়ুন: “মনরেগার ধারণাই শেষ করে দিতে চাইছে বিজেপি”, নয়া আইনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক রাহুলের

 

আরও পড়ুন: মসজিদের ভিতর ছুরিকাঘাতে খুন কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি, মহারাষ্ট্রে চাঞ্চল্য

শশী থারুর জানিয়েছেন, যে ২৩ জন নেতা ২০২০ সালে কংগ্রেস প্রধান সনিয়া গান্ধিকে সাংগঠনিক সংস্কার চেয়ে চিঠি লিখেছিলেন, তিনি তাঁদের মধ্যে একজন। নতুন সভাপতি নির্বাচন করা হল আসলে দলের পুনরুজ্জীবনের একটি সূচনা, যা এই মুহূর্তে কংগ্রেসের খুব প্রয়োজন।

 

সামগ্রিকভাবে দলের পুনর্নবীকরণের প্রয়োজন। তবে সবচেয়ে জরুরি নেতৃত্বের অবস্থান। যা পূরণ করার জন্য নতুন কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন প্রয়োজন বলেই মনে করেন শশী থারুর। তিনি বলেন, দলের কী সমস্যা আছে তা ঠিক করার জন্য সভাপতির একটি পরিকল্পনা থাকা উচিত, পাশাপাশি ভারতের জন্য দরকার একটি স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি।