২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অন্তঃসত্ত্বা সোনালি বিবিকে বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত খারিজ, ৪ সপ্তাহের মধ্যে দেশে ফেরানোর নির্দেশ হাই কোর্টের

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: বীরভূমের অন্তঃসত্ত্বা সোনালি বিবিকে বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যে তাঁকে স্বামী ও পুত্র-সহ দেশে ফেরাতে হবে। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নির্দেশ স্থগিত রাখার আবেদনও খারিজ হয়েছে।

সোনালি ন’মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পরিবারের দাবি, তিনি বীরভূমের পাইকরের বাসিন্দা, দিল্লিতে বহু বছর ধরে পরিচারিকা ও কাগজ কুড়ানোর কাজ করতেন। গত ১৮ জুন বাংলাদেশি সন্দেহে দিল্লি পুলিশ তাঁদের আটক করে বাংলাদেশে পাঠায়। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্থানীয় পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তারও করে।

সোনালিদের আইনজীবীরা ভোটার কার্ড, জমির নথি, সন্তানের জন্মশংসাপত্র আদালতে জমা দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে তাঁরা ভারতীয়। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। আদালতের নির্দেশে স্বস্তি পেয়েছে পরিবার। রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশে ফেরার পর সোনালি ও তাঁর পরিবারকে সবরকম সাহায্য করা হবে।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ: ইরান ছাড়ার জরুরি নির্দেশিকা জারি করল আমেরিকা ও ইউরোপসহ ১৮টি দেশ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অন্তঃসত্ত্বা সোনালি বিবিকে বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত খারিজ, ৪ সপ্তাহের মধ্যে দেশে ফেরানোর নির্দেশ হাই কোর্টের

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, শুক্রবার

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: বীরভূমের অন্তঃসত্ত্বা সোনালি বিবিকে বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যে তাঁকে স্বামী ও পুত্র-সহ দেশে ফেরাতে হবে। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে নির্দেশ স্থগিত রাখার আবেদনও খারিজ হয়েছে।

সোনালি ন’মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পরিবারের দাবি, তিনি বীরভূমের পাইকরের বাসিন্দা, দিল্লিতে বহু বছর ধরে পরিচারিকা ও কাগজ কুড়ানোর কাজ করতেন। গত ১৮ জুন বাংলাদেশি সন্দেহে দিল্লি পুলিশ তাঁদের আটক করে বাংলাদেশে পাঠায়। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্থানীয় পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তারও করে।

সোনালিদের আইনজীবীরা ভোটার কার্ড, জমির নথি, সন্তানের জন্মশংসাপত্র আদালতে জমা দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে তাঁরা ভারতীয়। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। আদালতের নির্দেশে স্বস্তি পেয়েছে পরিবার। রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশে ফেরার পর সোনালি ও তাঁর পরিবারকে সবরকম সাহায্য করা হবে।