পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ সউদি প্রিন্স সলমান বিন আবদুল্লা আজীজ অল সউদ শনিবার রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে এক বার্তায় মহারাষ্ট্রে বন্যা বিপর্যস্ত মানুষের মৃতু্য ও ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে– তুরস্কও শনিবার মহারাষ্ট্রে বন্যাবিধ্বস্ত মানুষদের মৃত্যুর জন্য ভারতকে শোকবার্তা পাঠিয়েছে। সউদি গেজেট সউদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ)মাধ্যমে জানায়– প্রিন্স সলমান বন্যা পীড়িত ভারতীয় নাগরিকদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতিশীল– আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। সউদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সলমানও একই ধরনের শোকবার্তা পাঠিয়েছেন রাষ্ট্রপতি কোবিন্দকে।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে তুরস্কের বিদেশমন্ত্রক এক বার্তায় জানায়– ‘ভারতের মহারাষ্ট্রে বন্যা এবং ভূস্খলনে ১০০-রও বেশি মানুষের মৃতু্য হয়েছে– নিখোঁজ এবং আহত হয়েছেন বহু। এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আমরা ভারতের গভীরভাবে শোকাহত।’ বয়ানে আরও বলা হয়েছে– ‘আমরা ভারত সরকার এবং সেখানকার বন্যাপীড়িত মানুষ যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের পরিবারকে জানাই সমবেদনা– এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।’
আরও পড়ুন:
গত তিনদিন মহারাষ্ট্রে মুষলধার বৃষ্টিতে রাজ্যের বহু অঞ্চল বন্যাবিধ্বস্ত।
মহারাষ্ট্রে র ত্রাণ এবং পুনর্বাসন মন্ত্রী বিজয় ওয়াদেটিওয়ার জানান– রাজ্যে মুষলধারা বৃষ্টিতে ১৩৬ জনের মৃতু্য হয়েছে। গত দু’দিন অতিবৃষ্টির কারণে রায়গড়– রত্নগিরি– পালঘর– ঠানে– সিন্ধুদুর্গ– কোলাপুর– সাঙ্গলি এবং সতারা জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মহারাষ্ট্রের সরকার মৃতদের পরিবারকে ৫-৫ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের কার্যালয়ের বক্তব্য অনুসারে– আহতদের সরকারি খরচে হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।আরও পড়ুন:
রাজ্যের ত্রাণ এবং পুর্নবাসন বিভাগ জানায়– শনিবার রাত পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৬ এবং ৯৯ জন এখনও নিখোঁজ। রাজ্য সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী– বন্যা বিধ্বংস্ত এলাকা থেকে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষকে এ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে। ২৪ জুলাই রাত সাড়ে ন’টা পর্যন্ত সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী বন্যাপ্রবণ এলাকাগুলি থেকে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। সর্বমোট ১৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে– ৩২২১ গবাদি পশুর মারা গিয়েছে। মোট ৫৩ জন আহত এবং ৯৯ জন এখনও নিখোঁজ।
আরও পড়ুন:
এনডিআরএফ-এর বক্তব্য অনুযায়ী– ২৬টি দল রাজ্য প্রশাসনের সমন্বয়ে মুম্বই– ঠানে– পালঘর– রাজগঢ়– সাহারা– সাঙ্গলি– সিন্ধুদুর্গ এবং কোলাপুরে ত্রাণ এবং উদ্ধারকাজে নিযুক্ত রয়েছে।