১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আই-প্যাক মামলার শুনানি ফের পিছোল সুপ্রিম কোর্টে

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আই-প্যাক মামলার জল গড়িয়ে এবার পৌঁছেছে দিল্লির সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। ১০ ফেব্রুয়ারি মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা পিছিয়ে গেল। রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বলের অসুস্থতার কারণে শুনানি মুলতুবি রাখার আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর বেঞ্চ। এই মামলায় মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য সরকার, ডিজি এবং সিপি-র তরফ থেকে জমা দেওয়া হলফনামার জবাব দেওয়ার কথা ছিল ইডির। কিন্তু শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় সেই প্রক্রিয়াও আপাতত স্থগিত থাকল। এর মধ্যেই আই-প্যাক মামলায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন তৎকালীন কলকাতার নগরপাল মনোজ ভার্মা। লাউডন স্ট্রিটে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে ওঠা বিতর্কের প্রেক্ষিতে জারি করা বিবৃতিতে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তাঁর ভূমিকা ছিল সম্পূর্ণভাবে প্রশাসনিক প্রোটোকল ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

মনোজ ভার্মা জানান, সেদিন লাউডন স্ট্রিটে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতির কারণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক হিসেবে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ছিল মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো। ইডির তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কোনও আধিকারিককে তিনি কোনও নির্দেশ দেননি। তদন্ত বা তল্লাশি প্রক্রিয়ায় তাঁর কোনও রকম হস্তক্ষেপ ছিল না বলেও স্পষ্ট দাবি করেন তিনি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ভিভিআইপি প্রোটোকল মেনেই তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা বা অংশগ্রহণের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন নগরপাল।

আরও পড়ুন: এসআইআর শুনানির সময়সীমা বাড়ল এক সপ্তাহ, কমিশন ও রাজ্যকে একগুচ্ছ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

আরও পড়ুন: SIR নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ১০টি নির্দেশ
প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে পুনের হাসপাতালে ভর্তি শরদ পাওয়ার, ‘বুকে সংক্রমণ’ জানাল চিকিৎসক

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আই-প্যাক মামলার শুনানি ফের পিছোল সুপ্রিম কোর্টে

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আই-প্যাক মামলার জল গড়িয়ে এবার পৌঁছেছে দিল্লির সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। ১০ ফেব্রুয়ারি মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা পিছিয়ে গেল। রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বলের অসুস্থতার কারণে শুনানি মুলতুবি রাখার আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর বেঞ্চ। এই মামলায় মঙ্গলবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য সরকার, ডিজি এবং সিপি-র তরফ থেকে জমা দেওয়া হলফনামার জবাব দেওয়ার কথা ছিল ইডির। কিন্তু শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় সেই প্রক্রিয়াও আপাতত স্থগিত থাকল। এর মধ্যেই আই-প্যাক মামলায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন তৎকালীন কলকাতার নগরপাল মনোজ ভার্মা। লাউডন স্ট্রিটে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে ওঠা বিতর্কের প্রেক্ষিতে জারি করা বিবৃতিতে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তাঁর ভূমিকা ছিল সম্পূর্ণভাবে প্রশাসনিক প্রোটোকল ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

মনোজ ভার্মা জানান, সেদিন লাউডন স্ট্রিটে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতির কারণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক হিসেবে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ছিল মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো। ইডির তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কোনও আধিকারিককে তিনি কোনও নির্দেশ দেননি। তদন্ত বা তল্লাশি প্রক্রিয়ায় তাঁর কোনও রকম হস্তক্ষেপ ছিল না বলেও স্পষ্ট দাবি করেন তিনি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ভিভিআইপি প্রোটোকল মেনেই তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা বা অংশগ্রহণের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন নগরপাল।

আরও পড়ুন: এসআইআর শুনানির সময়সীমা বাড়ল এক সপ্তাহ, কমিশন ও রাজ্যকে একগুচ্ছ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

আরও পড়ুন: SIR নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ১০টি নির্দেশ