পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক : ইলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি যশোবন্ত ভার্মার বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের সুপারিশকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি যে আবেদন করেছিলেন তা সরাসরি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। সঞ্জীব খান্না প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন বিভিন্ন হাইকোর্ট এর প্রধান বিচারপতিদের নিয়ে এক কমিটি গড়ে যশোবন্তের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত করতে বলেন। সেই কমিটি যশোবন্তকে দোষী সাব্যস্ত করে রিপোর্ট দেয়।
আরও পড়ুন:
তার ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর ইমপিচমেন্টের ব্যবস্থা করতে বলে সংসদ কে।
বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং এ জি মাসিহ-র বেঞ্চ বৃহস্পতিবার কমিটির রায়কেই বহাল রেখেছে। তাঁরা বলেছেন, এই কমিটি সাংবিধানিক অধিকার বলেই গঠন করেন সঞ্জীব খান্না। তিনি যে ইমপিচমেন্টের সুপারিশ করেছিলেন তাও আইন মেনে। তবে বিচারপতি ভার্মা মনে করলে ভবিষ্যতে যথোপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে এই বিষয়ে ফের আবেদন করতেই পারেন।এদিন ভার্মার হয়ে আইনজীবী কপিল সিব্বাল সওয়াল করে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের কমিটি তদন্ত করতে পারে, কিন্তু ইমপিচমেন্টের সুপারিশ করতে পারে না। তিনি দাবি করেন, সংবিধানের ১২৪ ধারা অমান্য করা হয়েছে। বিচারপতি দত্ত তখন বলেন, সাংবিধানিক প্রশ্ন থাকলে এতদিন কী করছিলেন? আগে বলেননি কেন?
আরও পড়ুন:
জবাবে সিব্বাল বলেন, এটা আমার মৌলিক অধিকার। যে কোনও সময়ে তুলতে পারি। আইনজীবী মুকুল রোহাতগিও ভার্মার হয়ে সওয়াল করেন। তিনি বলেন, বিচারপতি সৌমিত্র সেনকে যখন ইমপিচ করার সুপারিশ করে শীর্ষ আদালত তখন তাঁকে ডাকা হয়েছিল এবং তাঁর বক্তব্য শোনা হয়। তখন বিচারপতি দত্ত বলেন, এই কমিটির প্রচলন হয় ১৯৯৯ সালে। এদিন এই মামলা ক্লোজ করে দেওয়া হয়।