পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি সূর্য কান্ত। সোমবার বিচারপতি সূর্য কান্তকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি হলেন সুপ্রিম কোর্টের ৫৩তম প্রধান বিচারপতি। বিচারপতি বিআর গভাইয়ের স্থলাভিষিক্ত হলেন। দেশের বিচার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ পদে প্রায় ১৫ মাস কাজ করবেন তিনি। হিন্দিতে শপথ নিয়েছেন তিনি। ৬৫ বছর বয়সি এই বিচারপতি আগামী ২০২৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি অবসর গ্রহণের আগে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির ভূমিকা পালন করবেন। রাষ্ট্রপতিভবনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপরাজ্যপাল সি পি রাধাকৃষ্ণণ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, রাজ্যসভার দলনেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা-সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা। তাঁদের সামনে বিচারপতি সূর্য কান্তকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।
বিচারপতি হিসেবে দুই দশকের কর্মজীবনে, বিচারপতি সূর্য কান্ত অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছে। তাঁর বিভিন্ন রায়ের মধ্যে রয়েছে কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিল থেকে শুরু করে পেগাসাস সফটওয়ার মামলা। বিচারপতি সূর্য কান্ত সেই সাংবিধানিক বেঞ্চের সদস্য ছিলেন যার রায়ে কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল সাংবিধানিক বৈধতা পায়। ব্রিটিশ জমানার রাষ্ট্রদ্রোহ আইন (আইপিসি ১২৪এ ধারা) বাতিল হয়ে যায় তাঁরই এজলাসে।
হরিয়ানা থেকে প্রথম চিফ জাস্টিস অফ ইন্ডিয়া হলেন বিচারপতি সূর্য কান্ত। হরিয়ানভিতে প্রথম রামায়ণ অনুবাদ করেছিলেন রাজ্যকবি মদনলাল শাস্ত্রী। তাঁর ছেলে বিচারপতি সূর্য কান্ত। ১৯৬২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি হরিয়ানার হিসারের এক গ্রামে জন্ম হয় বিচারপতি সূর্য কান্তের। পরিবারের কেউই আইন সম্পর্কিত কোনও পেশার সঙ্গে যুক্ত না হলেও নিজের ভালোবাসা থেকেই এই পেশাকে বেছে নেন তিনি। তাঁর বাবা ছিলেন একজন শিক্ষক। গ্রামের স্কুল থেকেই প্রাথমিকের পড়া শেষ করেন তিনি। পরে ১৯৮১ সালে হিসারের সরকারি স্নাতকোত্তর কলেজ থেকে স্নাতক এবং ১৯৮৪ সালে রোহতকের মহর্ষি দয়ানন্দ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন বিচারপতি।





























