১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিজাব ব্যবহারের স্বাধীনতা ছাত্রীদের ওপরেই, নাক গলাবে না নাইজেরীয় প্রশাসন

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ এখন থেকে নাইজেরিয়ার  কাওয়ারা রাজ্যের ছাত্রীরা হিজাব ব্যবহার করবে– নাকি করবে না– সে ব্যাপারে তারা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। রাজ্য সরকার হিজাব সংক্রান্ত এই অনুমতি দিয়েছে ছাত্রীদের। নাইজেরিয়ার কাওয়ারা রাজ্যের কর্মকর্তারা ঘোষণা করেছেন– এখন থেকে এই  রাজ্যে হিজাব পরতে গেলে  কোনও বাধা বা  জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে না ছাত্রীদের– ইচ্ছামতো তারা ধর্মীয়  পোশাক হিজাব পরতে  পারবেন।

সম্প্রতি   নাইজেরিয়ার প্রশাসনিক কর্মকর্তারা চিন্তা ও ধর্মের স্বাধীনতার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। উল্লেখ্য– কাওয়ারা রাজ্যে  মহিলাদের মাথার স্কার্ফ পরার স্বাধীনতা সংক্রান্ত আইন ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাস করা  হয়ে ছিল– কিন্তু ঐ রাজ্যের খ্রিস্টানদের বিরোধিতার কারণে সেটি কার্যকর করা যায়নি। এই ইস্যুতে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে মতপার্থক্যের কারণে রাজ্যের কিছু স্কুলও কয়েক মাসের জন্য বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে সেই অঞ্চলের মুসলিম ও খ্রিস্টান নেতাদের মধ্যে একটি চুক্তি হওয়ার পর রাজ্যে ছাত্রীদের জন্য হেডস্কার্ফ স্বাধীনতা আইনের বাস্তবায়ন  শুরু হয়।

আরও পড়ুন: হিজাব বিতর্ক ইসলামোফোবিয়ার উদাহরণ; মত শিয়া আলেমের

 

আরও পড়ুন: কর্নাটক হাইকোর্টে হিজাব রায়ের মামলা গেল সুপ্রিম কোর্টের!

 

 

 

 

সর্বধিক পাঠিত

পবিত্র রমজানে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে কঠোর বিধিনিষেধ, মোতায়েন বিপুল সংখ্যক ইসরায়েলি পুলিশ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হিজাব ব্যবহারের স্বাধীনতা ছাত্রীদের ওপরেই, নাক গলাবে না নাইজেরীয় প্রশাসন

আপডেট : ২৯ জানুয়ারী ২০২২, শনিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ এখন থেকে নাইজেরিয়ার  কাওয়ারা রাজ্যের ছাত্রীরা হিজাব ব্যবহার করবে– নাকি করবে না– সে ব্যাপারে তারা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। রাজ্য সরকার হিজাব সংক্রান্ত এই অনুমতি দিয়েছে ছাত্রীদের। নাইজেরিয়ার কাওয়ারা রাজ্যের কর্মকর্তারা ঘোষণা করেছেন– এখন থেকে এই  রাজ্যে হিজাব পরতে গেলে  কোনও বাধা বা  জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে না ছাত্রীদের– ইচ্ছামতো তারা ধর্মীয়  পোশাক হিজাব পরতে  পারবেন।

সম্প্রতি   নাইজেরিয়ার প্রশাসনিক কর্মকর্তারা চিন্তা ও ধর্মের স্বাধীনতার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন। উল্লেখ্য– কাওয়ারা রাজ্যে  মহিলাদের মাথার স্কার্ফ পরার স্বাধীনতা সংক্রান্ত আইন ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাস করা  হয়ে ছিল– কিন্তু ঐ রাজ্যের খ্রিস্টানদের বিরোধিতার কারণে সেটি কার্যকর করা যায়নি। এই ইস্যুতে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে মতপার্থক্যের কারণে রাজ্যের কিছু স্কুলও কয়েক মাসের জন্য বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে সেই অঞ্চলের মুসলিম ও খ্রিস্টান নেতাদের মধ্যে একটি চুক্তি হওয়ার পর রাজ্যে ছাত্রীদের জন্য হেডস্কার্ফ স্বাধীনতা আইনের বাস্তবায়ন  শুরু হয়।

আরও পড়ুন: হিজাব বিতর্ক ইসলামোফোবিয়ার উদাহরণ; মত শিয়া আলেমের

 

আরও পড়ুন: কর্নাটক হাইকোর্টে হিজাব রায়ের মামলা গেল সুপ্রিম কোর্টের!