১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জলপাইগুড়িতে মায়ের দেহ কাঁধে নিয়ে হাঁটলেন ছেলে

 

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক:  দিনদুপুরে মায়ের দেহ কাঁধে নিয়ে হাঁটছেন ছেলে। জলপাইগুড়ি জেলা শহর বৃহস্পতিবার সাক্ষী থাকল এই অমানবিক দৃশ্যের।

আরও পড়ুন: রবিনসন স্ট্রিটের ছায়া! হাওড়ায় তিনদিন ধরে মায়ের দেহ আগলে ছেলে

অভিযোগ হাসপাতাল থেকে মায়ের দেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ৩০০০ টাকা দাবি করে শবাহী শকট।  হয়। অনেক  অনুনয় বিনয় করলেও মন গলেনি ওই শকটের চালকের। কমানো হয়নি ভাড়া। শেষে মায়ের দেহ কাঁধে করেই জলপাইগুড়ি শহর থেকে ক্রান্তির উদ্দেশ্যে  এগোলেন মৃতার ছেলে।

আরও পড়ুন: মেলেনি অ্যাম্বুলেন্স, শববাহী যান! মায়ের লাশ হাসপাতাল থেকে খাটে তুলে গ্রামে ফিরলেন ৪ মেয়ে

 

মহকুমার ক্রান্তি ব্লকের বাসিন্দা পেশায় দিনমজুর রামপ্রসাদ দেওয়ান তাঁর মা লক্ষ্মীরানি দেওয়ানকে গতকাল রাতে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে (ভর্তি করেন শ্বাসকষ্টের জন্য। রাতেই মারা যান লক্ষ্মীরানি দেওয়ান৷ জলপাইগুড়ির ওই হাসপাতাল থেকে ক্রান্তির দূরত্ব ৬৫ কিলোমিটার। এই দূরত্ব অতিক্রম করতেই চাওয়া হয় তিনহাজার টাকা।

তবে এই খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয় জলপাইগুড়ি শহরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। গ্রিন জলাপাইগুড়ি নামে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার গাড়িতেই  শেষপর্যন্ত মায়ের দেহ নিয়ে বাড়ি পৌঁছান ছেলে।

মৃতার ছেলে রাম প্রসাদ দেওয়ান অভিযোগ করেন হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা অ্যাম্বুলেন্স ৩ হাজার টাকা ভাড়া চেয়েছিল। অর্থাভাবের কথা জানাতেও হাসপাতালের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।

সর্বধিক পাঠিত

এসআইআর: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জলপাইগুড়িতে মায়ের দেহ কাঁধে নিয়ে হাঁটলেন ছেলে

আপডেট : ৫ জানুয়ারী ২০২৩, বৃহস্পতিবার

 

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক:  দিনদুপুরে মায়ের দেহ কাঁধে নিয়ে হাঁটছেন ছেলে। জলপাইগুড়ি জেলা শহর বৃহস্পতিবার সাক্ষী থাকল এই অমানবিক দৃশ্যের।

আরও পড়ুন: রবিনসন স্ট্রিটের ছায়া! হাওড়ায় তিনদিন ধরে মায়ের দেহ আগলে ছেলে

অভিযোগ হাসপাতাল থেকে মায়ের দেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ৩০০০ টাকা দাবি করে শবাহী শকট।  হয়। অনেক  অনুনয় বিনয় করলেও মন গলেনি ওই শকটের চালকের। কমানো হয়নি ভাড়া। শেষে মায়ের দেহ কাঁধে করেই জলপাইগুড়ি শহর থেকে ক্রান্তির উদ্দেশ্যে  এগোলেন মৃতার ছেলে।

আরও পড়ুন: মেলেনি অ্যাম্বুলেন্স, শববাহী যান! মায়ের লাশ হাসপাতাল থেকে খাটে তুলে গ্রামে ফিরলেন ৪ মেয়ে

 

মহকুমার ক্রান্তি ব্লকের বাসিন্দা পেশায় দিনমজুর রামপ্রসাদ দেওয়ান তাঁর মা লক্ষ্মীরানি দেওয়ানকে গতকাল রাতে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে (ভর্তি করেন শ্বাসকষ্টের জন্য। রাতেই মারা যান লক্ষ্মীরানি দেওয়ান৷ জলপাইগুড়ির ওই হাসপাতাল থেকে ক্রান্তির দূরত্ব ৬৫ কিলোমিটার। এই দূরত্ব অতিক্রম করতেই চাওয়া হয় তিনহাজার টাকা।

তবে এই খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয় জলপাইগুড়ি শহরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। গ্রিন জলাপাইগুড়ি নামে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার গাড়িতেই  শেষপর্যন্ত মায়ের দেহ নিয়ে বাড়ি পৌঁছান ছেলে।

মৃতার ছেলে রাম প্রসাদ দেওয়ান অভিযোগ করেন হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা অ্যাম্বুলেন্স ৩ হাজার টাকা ভাড়া চেয়েছিল। অর্থাভাবের কথা জানাতেও হাসপাতালের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।