আইভি আদক, হাওড়াঃ  এবছর রাজ্যের জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় প্রথম দশের মেধা তালিকায় হাওড়ার দুই ছাত্র রয়েছে।  জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় প্রথম র‍্যাঙ্ক অধিকার করেছে হিমাংশু শেখর। সে সেন্ট্রাল মডেল স্কুল, রিভার সাইড, ব্যারাকপুর থেকে পড়াশোনা করেছে। তার বাড়ি হাওড়ার বালির দেওয়ানগাজী রোডের সোনামণি অ্যাপার্টমেন্টে। সে এবছর সিবিএসসি বোর্ড থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল। এছাড়াও জয়েন্ট এন্ট্রান্সের মেধা তালিকায় নবম র‍্যাঙ্ক করেছে হাওড়ার ছাত্র অয়ন অধিকারী। সে পড়তো ক্যালকাটা বয়েজ স্কুলে। তার বাড়ি দক্ষিণ হাওড়ার দানেশ শেখ লেন গভর্মেন্ট হাউজিংয়ে সে আইএসসিই বোর্ডের ছাত্র বলে জানা গেছে।

স্বভাবতই হাওড়া জেলায় এই দুই ছাত্রের কৃতিত্বে কার্যতই খুশির হাওয়া।

এবার জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় প্রথম দশের মেধা তালিকায় হাওড়ার দুই ছাত্র মা এর সঙ্গে হিমাংশু শেখর

হিমাংশুর মা অনিতা প্রসাদ জানান, আজ খুবই ভালো লাগছে। আমার ছেলে বলেছিল সে ভালো নম্বর পাবে। ফার্স্ট হতে পারে এমনও বলেছিল। তারপর নিউজেই দেখলাম।  ও আইআইটিতে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বে। রোজ সাত থেকে আট ঘণ্টার মতো পড়াশোনা করতো। ওকে আমি সারারাত জেগে পড়তে দিইনি।

টিভি দেখার কোনও নেশা আমাদের নেই। মোবাইলে ডাউনলোড করে ও বই দেখতো। ছেলেকে ছোটবেলায় আমরা গাইড করেছি। ওর বাবা ওকে সবসময় পড়িয়েছে। ওকে কোনও টিউশন দিতে হয়নি। পড়া নিয়ে ওকে নিয়ে আমার কোন টেনশন হয়নি।

এবার জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় প্রথম দশের মেধা তালিকায় হাওড়ার দুই ছাত্র মেধা তালিকায় নবম RANK করেছে হাওড়ার ছাত্র অয়ন অধিকারী

হিমাংশু জানায়, খুবই আনন্দ হচ্ছে। সিঙ্গেল ঘরে র‍্যাঙ্ক করব আশা করেছিলাম।

ফাস্ট র‍্যাঙ্ক করে আরও ভালো লাগছে। বাবা-মা আর আমার কোচিংয়ে টিচার্সদের কৃতিত্ব দিতে চাই। আমি সেন্ট্রাল মডেল স্কুল ব্যারাকপুরে পড়াশোনা করতাম। কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে কোনও আইআইটিতে বি-টেক করতে চাই। সারাদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা পড়তাম। পড়াশোনার বাইরে মোবাইলে বই দেখতে ভালো লাগে। খেলাধুলাতো কোভিডের সময় বন্ধ ছিল। আগে বন্ধুদের সাথে মাঝে মাঝে খেলতাম,  সুইমিং করতাম, ফুটবল দেখতে ভালো লাগে,আর ক্রিকেট খেলতে ভালো লাগে।