১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফের উত্তাল শ্রীলঙ্কা, রাজপথে শিক্ষার্থীরা

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ   শ্রীলঙ্কায় এবার আন্দোলনে নেমেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। চলমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা ও আটক হওয়া আন্দোলনকারী নেতাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে কলম্বোর রাজপথে বিক্ষোভ করেছেন তারা।

 

আরও পড়ুন: সাইক্লোনের জেরে তছনছ শ্রীলঙ্কা, বিপর্যয়ে দ্বীপরাষ্ট্রকে সাহায্যের আশ্বাস মোদির

মঙ্গলবার বিক্ষোভে নামার পর পুলিশি বাধার মুখে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী। এ সময় তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সরকার জনসাধারণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা তকমা দিয়ে কারমাইকেল হস্টেলের আবাসিকদের উপর আক্রমণের অভিযোগ

 

আরও পড়ুন: অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য নিয়ে পাঠ দিতে হবে পড়ুয়াদের, নির্দেশ কেন্দ্রের

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, ‘যাদের আটক করা হয়েছে তাদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া হোক। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সংস্কারও চায় শ্রীলঙ্কার মানুষ। বর্তমান সরকার চলমান সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজার পরিবর্তে আন্দোলনকারীদের প্রতি কঠোর আচরণ করছে।

 

আমরা চাই সরকারের এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ হোক। দেশের মানুষের বাঁচার পথ খোলা নেই। সরকারের এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করা উচিত।‘ এদিকে, সম্প্রতি ইউনিসেফ প্রকাশিত এক রিপোর্ট থেকে শ্রীলঙ্কার ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা উঠে এসেছে।

 

জানা গেছে, রোজ দু’বেলা দু’মুঠো খেতে পাচ্ছে না শিশুরা। খালি পেটেই ঘুমোতে যেতে বাধ্য হচ্ছে তারা। ইউনিসেফের সতর্কতা, এখন থেকেই শক্ত হাতে রাশ না-ধরলে শ্রীলঙ্কার মতো খাদ্য-সংকটের সম্মুখীন হতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার বাকি দেশগুলিও। বিদেশি মুদ্রার সংকটের ফলে অন্যান্য সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার পাশাপাশি আমদানির ক্ষমতাও হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। যার বড় প্রভাব পড়েছে দেশের খাদ্য ভান্ডারের উপর।

 

এই প্রসঙ্গে ইউনিসেফ বলছে, ‘পরিস্থিতি এমন যে রোজ হাঁড়ি চড়বে কি দিয়ে তা নিয়েই কপালে ভাঁজ পড়ছে সাধারণ মানুষের। আধপেটা বা একবেলা খেয়ে কাটাচ্ছে পরিবারগুলি। ছোটরা খালি পেটেই ঘুমোতে যাচ্ছে।’ আশঙ্কা, শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি অপেক্ষা করে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার বাকি দেশগুলির জন্যও।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

ইরান ছাড়ার জরুরি সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের, নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফের উত্তাল শ্রীলঙ্কা, রাজপথে শিক্ষার্থীরা

আপডেট : ৩১ অগাস্ট ২০২২, বুধবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ   শ্রীলঙ্কায় এবার আন্দোলনে নেমেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। চলমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা ও আটক হওয়া আন্দোলনকারী নেতাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে কলম্বোর রাজপথে বিক্ষোভ করেছেন তারা।

 

আরও পড়ুন: সাইক্লোনের জেরে তছনছ শ্রীলঙ্কা, বিপর্যয়ে দ্বীপরাষ্ট্রকে সাহায্যের আশ্বাস মোদির

মঙ্গলবার বিক্ষোভে নামার পর পুলিশি বাধার মুখে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী। এ সময় তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, সরকার জনসাধারণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা তকমা দিয়ে কারমাইকেল হস্টেলের আবাসিকদের উপর আক্রমণের অভিযোগ

 

আরও পড়ুন: অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য নিয়ে পাঠ দিতে হবে পড়ুয়াদের, নির্দেশ কেন্দ্রের

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, ‘যাদের আটক করা হয়েছে তাদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া হোক। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সংস্কারও চায় শ্রীলঙ্কার মানুষ। বর্তমান সরকার চলমান সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজার পরিবর্তে আন্দোলনকারীদের প্রতি কঠোর আচরণ করছে।

 

আমরা চাই সরকারের এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ হোক। দেশের মানুষের বাঁচার পথ খোলা নেই। সরকারের এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করা উচিত।‘ এদিকে, সম্প্রতি ইউনিসেফ প্রকাশিত এক রিপোর্ট থেকে শ্রীলঙ্কার ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা উঠে এসেছে।

 

জানা গেছে, রোজ দু’বেলা দু’মুঠো খেতে পাচ্ছে না শিশুরা। খালি পেটেই ঘুমোতে যেতে বাধ্য হচ্ছে তারা। ইউনিসেফের সতর্কতা, এখন থেকেই শক্ত হাতে রাশ না-ধরলে শ্রীলঙ্কার মতো খাদ্য-সংকটের সম্মুখীন হতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার বাকি দেশগুলিও। বিদেশি মুদ্রার সংকটের ফলে অন্যান্য সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার পাশাপাশি আমদানির ক্ষমতাও হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। যার বড় প্রভাব পড়েছে দেশের খাদ্য ভান্ডারের উপর।

 

এই প্রসঙ্গে ইউনিসেফ বলছে, ‘পরিস্থিতি এমন যে রোজ হাঁড়ি চড়বে কি দিয়ে তা নিয়েই কপালে ভাঁজ পড়ছে সাধারণ মানুষের। আধপেটা বা একবেলা খেয়ে কাটাচ্ছে পরিবারগুলি। ছোটরা খালি পেটেই ঘুমোতে যাচ্ছে।’ আশঙ্কা, শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি অপেক্ষা করে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার বাকি দেশগুলির জন্যও।