০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, রবিবার, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তুরস্কে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু লিবিয়ার সেনাপ্রধানের, নিহত আরও চার শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা

 

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার কাছে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন লিবিয়ার সেনাপ্রধান মুহাম্মদ আলী আহমেদ আল-হাদ্দাদ। মঙ্গলবার রাতে এই দুর্ঘটনায় তাঁর সঙ্গে আরও চারজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা এবং তিনজন ক্রু সদস্য প্রাণ হারান। লিবিয়ার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের প্রধানমন্ত্রী আব্দুল হামিদ দবেইবা এক বিবৃতিতে এই খবর নিশ্চিত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী দবেইবা দুর্ঘটনাটিকে ‘মহাবিপর্যয়’ বলে উল্লেখ করে বলেন, আঙ্কারায় সরকারি সফর শেষ করে দেশে ফেরার পথেই সেনাপ্রধান ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। তিনি জানান, এই দুর্ঘটনা দেশ, সেনাবাহিনী ও জনগণের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। নিহত কর্মকর্তারা নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের প্রতীক ছিলেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নিহত অন্য সেনা কর্মকর্তারা হলেন স্থলবাহিনীর প্রধান আল-ফিতুরি ঘারিবিল, সামরিক উৎপাদন কর্তৃপক্ষের পরিচালক মাহমুদ আল-কাতাওয়ি, আল-হাদ্দাদের উপদেষ্টা মুহাম্মদ আল-আসাওয়ি দিয়াব এবং সামরিক চিত্রগ্রাহক মুহাম্মদ ওমর আহমেদ মাহজুব।
তুরস্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈদ্যুতিক ত্রুটির কারণে বিমানটি জরুরি অবতরণের অনুরোধ করেছিল। প্রাথমিক তদন্তে নাশকতার কোনও প্রমাণ মেলেনি। আঙ্কারা থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটির সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে রাজধানী থেকে প্রায় ৭৪ কিলোমিটার দূরে ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার হয়।
উল্লেখ্য, আল-হাদ্দাদ পশ্চিম লিবিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন এবং গাদ্দাফি-বিরোধী বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এমন এক সময়ে এই দুর্ঘটনা ঘটল, যখন লিবিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতির মেয়াদ আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আঙ্কারার

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

যুদ্ধের দামামা: ইরানকে সহায়তায় এগিয়ে এল হাজার হাজার ইরাকি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তুরস্কে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু লিবিয়ার সেনাপ্রধানের, নিহত আরও চার শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, বুধবার

 

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার কাছে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন লিবিয়ার সেনাপ্রধান মুহাম্মদ আলী আহমেদ আল-হাদ্দাদ। মঙ্গলবার রাতে এই দুর্ঘটনায় তাঁর সঙ্গে আরও চারজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা এবং তিনজন ক্রু সদস্য প্রাণ হারান। লিবিয়ার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের প্রধানমন্ত্রী আব্দুল হামিদ দবেইবা এক বিবৃতিতে এই খবর নিশ্চিত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী দবেইবা দুর্ঘটনাটিকে ‘মহাবিপর্যয়’ বলে উল্লেখ করে বলেন, আঙ্কারায় সরকারি সফর শেষ করে দেশে ফেরার পথেই সেনাপ্রধান ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। তিনি জানান, এই দুর্ঘটনা দেশ, সেনাবাহিনী ও জনগণের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। নিহত কর্মকর্তারা নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের প্রতীক ছিলেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নিহত অন্য সেনা কর্মকর্তারা হলেন স্থলবাহিনীর প্রধান আল-ফিতুরি ঘারিবিল, সামরিক উৎপাদন কর্তৃপক্ষের পরিচালক মাহমুদ আল-কাতাওয়ি, আল-হাদ্দাদের উপদেষ্টা মুহাম্মদ আল-আসাওয়ি দিয়াব এবং সামরিক চিত্রগ্রাহক মুহাম্মদ ওমর আহমেদ মাহজুব।
তুরস্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈদ্যুতিক ত্রুটির কারণে বিমানটি জরুরি অবতরণের অনুরোধ করেছিল। প্রাথমিক তদন্তে নাশকতার কোনও প্রমাণ মেলেনি। আঙ্কারা থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটির সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে রাজধানী থেকে প্রায় ৭৪ কিলোমিটার দূরে ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার হয়।
উল্লেখ্য, আল-হাদ্দাদ পশ্চিম লিবিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন এবং গাদ্দাফি-বিরোধী বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এমন এক সময়ে এই দুর্ঘটনা ঘটল, যখন লিবিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতির মেয়াদ আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আঙ্কারার