পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএএন–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের জন্য প্রস্তুতি জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সবকিছু অনুকূলে থাকলে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে হামলা হতে পারে, যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।
সূত্রের দাবি, গত কয়েক দিনে মধ্যপ্রাচ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যুদ্ধবিমান ও নৌবাহিনী মোতায়েন করেছে পেন্টাগন। হোয়াইট হাউসকে জানানো হয়েছে, মার্কিন বাহিনী যেকোনো মুহূর্তে অভিযানের জন্য প্রস্তুত। শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরি USS Gerald Ford পারস্য উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলেও জানা গেছে। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে থাকা মার্কিন যুদ্ধবিমান ও রিফুয়েলিং ট্যাংকারগুলোও অঞ্চলের কাছাকাছি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ইরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো কংক্রিট ও মাটি দিয়ে ঢেকে সুরক্ষিত করার চেষ্টা করছে। এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠকে হামলার পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন দিক বিবেচনা করছেন। তাঁর উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ইরানের সঙ্গে চলমান পরোক্ষ আলোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে তাঁকে ব্রিফ করেছেন, তবে এখনো কোনো সমাধান আসেনি। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জানিয়েছেন, কূটনৈতিক সমাধানই যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকার, তবে সামরিক বিকল্পও খোলা রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিও হামলার সময় নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে—রমজান মাস, বৈশ্বিক ক্রীড়া আয়োজন এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কর্মসূচি সবই বিবেচনায় রয়েছে।

































