১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউপিতে ‘বেআইনি’ নির্মাণের দাবি করে মসজিদ ভাঙচুর করল ভিএইচপি ও  বজরং

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলার বলখন্দি নাকা এলাকার একটি নির্মাণাধীন মসজিদ বজরং দল এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের লোকজন  ভাংচুর করেছে।

সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী হিন্দুত্ববাদী দলগুলি বলেছে , মসজিদটির  দ্বিতীয় তলা নির্মাণ করা হচ্ছিল। যেটিকে তারা বেআইনি বলে দাবি করেছে।বজরং দল এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সমর্থকরা মসজিদের সব জিনিসপত্র রাস্তায় ফেলে দেয়,ভাঙচুর করে।এর ফলে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন: ইউপি: নাবালিকাকে অপহরণ করে ২৫ দিন ধরে একাধিকবার ধর্ষণ, গ্রেফতার একুশের যুবক

ভিএইচপির জেলা সভাপতি চন্দ্রমোহন বেদি অভিযোগ করেছেন, প্রশাসন মসজিদের সংস্কারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে। মসজিদটি সংস্কার করার কথা ছিল, কোন নতুন নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। আমরা নতুন নির্মাণ হতে দেব না।”

আরও পড়ুন: দিল্লি বিস্ফোরণ: উপত্যকাজুড়ে মসজিদ-মাদ্রাসায় তল্লাশি অভিযান পুলিশ-গোয়ান্দাদের

মুসলিমদের অভিযোগ,পুলিশ কর্মকর্তাদের হট্টগোল নিয়ন্ত্রণ করতে ডাকা হয়েছিল কিন্তু তারা নীরব দর্শক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ৩০ মিনিট ধরে বজরং দল এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের গুন্ডামি চলে।অনুমতি নিয়েই তারা দোতলার কাজ শুরু করেছিল।

আরও পড়ুন: রাতের অন্ধকারে বেআইনি নির্মাণ, পুকুর বাঁচাতে রাত জেগে পাহারা স্থানীয়দের

বান্দা জেলার পুলিশ তার অফিসিয়াল ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। যাতে বলা হয়েছে ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।

এর আগে উত্তরপ্রদেশের  বরাবাঁকিতে সরকার একটি প্রাচীন মসজিদ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়।প্রশাসন দাবি করছিল, ওই মসজিদের কাঠামোটি অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছিল এবং ইলাহাবাদ হাইকোর্টের অনুমতি নিয়েই তারা সেই স্থাপনাটি ভেঙেছে।

বরাবাঁকির স্থানীয় মুসলিমরাও বলছেন গত ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই মসজিদে লাগাতার নামাজ পড়া হয়ে আসছিল।সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা খালিদ সাইফুল্লা রেহমানি আরও বলেছেন, ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মুসলিমরা সেখানে নামাজ পড়ে আসছেন – যে বক্তব্য নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও কোন দ্বিমত নেই।

বরাবাঁকির প্রবীণ শের আলি আজন্ম এই গরিব নেওয়াজ মসজিদেই নামাজ পড়েছেন। তার হিন্দু প্রতিবেশী বেণী শর্মাও জানাচ্ছেন, “সেই ছোটবেলা থেকে এখানে কখনও নামাজ পড়া বন্ধ হয়েছে বলে দেখিনি।”

 

সর্বধিক পাঠিত

নতুন করে স্বাস্থ্যের অবনতি হয়নি আক্রান্তদের, নিপা আক্রান্তের খবর নেই

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইউপিতে ‘বেআইনি’ নির্মাণের দাবি করে মসজিদ ভাঙচুর করল ভিএইচপি ও  বজরং

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, শুক্রবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলার বলখন্দি নাকা এলাকার একটি নির্মাণাধীন মসজিদ বজরং দল এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের লোকজন  ভাংচুর করেছে।

সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী হিন্দুত্ববাদী দলগুলি বলেছে , মসজিদটির  দ্বিতীয় তলা নির্মাণ করা হচ্ছিল। যেটিকে তারা বেআইনি বলে দাবি করেছে।বজরং দল এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সমর্থকরা মসজিদের সব জিনিসপত্র রাস্তায় ফেলে দেয়,ভাঙচুর করে।এর ফলে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন: ইউপি: নাবালিকাকে অপহরণ করে ২৫ দিন ধরে একাধিকবার ধর্ষণ, গ্রেফতার একুশের যুবক

ভিএইচপির জেলা সভাপতি চন্দ্রমোহন বেদি অভিযোগ করেছেন, প্রশাসন মসজিদের সংস্কারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে। মসজিদটি সংস্কার করার কথা ছিল, কোন নতুন নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। আমরা নতুন নির্মাণ হতে দেব না।”

আরও পড়ুন: দিল্লি বিস্ফোরণ: উপত্যকাজুড়ে মসজিদ-মাদ্রাসায় তল্লাশি অভিযান পুলিশ-গোয়ান্দাদের

মুসলিমদের অভিযোগ,পুলিশ কর্মকর্তাদের হট্টগোল নিয়ন্ত্রণ করতে ডাকা হয়েছিল কিন্তু তারা নীরব দর্শক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ৩০ মিনিট ধরে বজরং দল এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের গুন্ডামি চলে।অনুমতি নিয়েই তারা দোতলার কাজ শুরু করেছিল।

আরও পড়ুন: রাতের অন্ধকারে বেআইনি নির্মাণ, পুকুর বাঁচাতে রাত জেগে পাহারা স্থানীয়দের

বান্দা জেলার পুলিশ তার অফিসিয়াল ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। যাতে বলা হয়েছে ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।

এর আগে উত্তরপ্রদেশের  বরাবাঁকিতে সরকার একটি প্রাচীন মসজিদ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়।প্রশাসন দাবি করছিল, ওই মসজিদের কাঠামোটি অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছিল এবং ইলাহাবাদ হাইকোর্টের অনুমতি নিয়েই তারা সেই স্থাপনাটি ভেঙেছে।

বরাবাঁকির স্থানীয় মুসলিমরাও বলছেন গত ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই মসজিদে লাগাতার নামাজ পড়া হয়ে আসছিল।সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা খালিদ সাইফুল্লা রেহমানি আরও বলেছেন, ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মুসলিমরা সেখানে নামাজ পড়ে আসছেন – যে বক্তব্য নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও কোন দ্বিমত নেই।

বরাবাঁকির প্রবীণ শের আলি আজন্ম এই গরিব নেওয়াজ মসজিদেই নামাজ পড়েছেন। তার হিন্দু প্রতিবেশী বেণী শর্মাও জানাচ্ছেন, “সেই ছোটবেলা থেকে এখানে কখনও নামাজ পড়া বন্ধ হয়েছে বলে দেখিনি।”