১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজ্যের নয় জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, বুধবার থেকে হাওয়া বদল

পুবের কলম প্রতিবেদক: আকাশের মুখ ভার। আগামী ৪৮ ঘন্টায় বৃষ্টি আরও বাড়বে। রাজ্যের নয় জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা শোনালো আবহাওয়া দফতর। মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্য জুড়েই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে, সঙ্গে বইবে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। বুধবার থেকে হাওয়া বদল হবে বঙ্গে। আবহাওয়ার উন্নতি। যদিও দু এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। রবিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৬১ থেকে ৯১ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় শহরে বৃষ্টি হয়েছে ১.৯ মিলিমিটার।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০ মার্চ, সোমবার দক্ষিণবঙ্গে সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। উপকূলের জেলা সহ দু-এক জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়ায়। একইভাবে উত্তরবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টি সঙ্গে হালকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে শুধু  আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহে। ২১ মার্চ, মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে সব জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও ঝড়ের পূর্বাভাস নেই। উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্তভাবে হালকা মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ২২ মার্চ, বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে রাজ্য জুড়ে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের উচিত সংযত হওয়া, ভারত পরমাণু শক্তিধর: সেভেন সিস্টার্স নিয়ে পাল্টা হুঁশিয়ারি হিমন্তের

আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি এবং ঝড়ো হওয়ার কারণে উত্তরবঙ্গের চা বাগান এবং উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আমবাগানের ক্ষতি হতে পারে। যারা এখনো আলু তোলেননি সেই আলু চাষীদের ক্ষতি হতে পারে। এছাড়াও সবজি চাষেও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ: মৃত বেড়ে ২০, সবচেয়ে বিধ্বস্ত মিরিক

আরও পড়ুন: দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

পাকিস্তান–তুরস্ক–সৌদি সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগদানের জল্পনা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজ্যের নয় জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, বুধবার থেকে হাওয়া বদল

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২৩, রবিবার

পুবের কলম প্রতিবেদক: আকাশের মুখ ভার। আগামী ৪৮ ঘন্টায় বৃষ্টি আরও বাড়বে। রাজ্যের নয় জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা শোনালো আবহাওয়া দফতর। মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্য জুড়েই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে, সঙ্গে বইবে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। বুধবার থেকে হাওয়া বদল হবে বঙ্গে। আবহাওয়ার উন্নতি। যদিও দু এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। রবিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৬১ থেকে ৯১ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় শহরে বৃষ্টি হয়েছে ১.৯ মিলিমিটার।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০ মার্চ, সোমবার দক্ষিণবঙ্গে সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। উপকূলের জেলা সহ দু-এক জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়ায়। একইভাবে উত্তরবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টি সঙ্গে হালকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে শুধু  আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহে। ২১ মার্চ, মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে সব জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও ঝড়ের পূর্বাভাস নেই। উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্তভাবে হালকা মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ২২ মার্চ, বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে রাজ্য জুড়ে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের উচিত সংযত হওয়া, ভারত পরমাণু শক্তিধর: সেভেন সিস্টার্স নিয়ে পাল্টা হুঁশিয়ারি হিমন্তের

আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি, শিলাবৃষ্টি এবং ঝড়ো হওয়ার কারণে উত্তরবঙ্গের চা বাগান এবং উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আমবাগানের ক্ষতি হতে পারে। যারা এখনো আলু তোলেননি সেই আলু চাষীদের ক্ষতি হতে পারে। এছাড়াও সবজি চাষেও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ: মৃত বেড়ে ২০, সবচেয়ে বিধ্বস্ত মিরিক

আরও পড়ুন: দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি