১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রথম দিনেই মমতার ‘যুবসাথী’তে ৫ লক্ষ আবেদন, জেলায় জেলায় শিবিরে ভিড়

 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ‘যুবসাথী’ প্রকল্প প্রথম দিনেই বিপুল সাড়া ফেলেছে রাজ্যজুড়ে। পাহাড়, জঙ্গলমহল থেকে গঙ্গাসাগরের প্রত্যন্ত অঞ্চল—সর্বত্র স্বনির্ভর বাংলা শিবিরে সকাল থেকেই উপচে পড়া ভিড়। উপস্থিতদের বড় অংশই ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি যুবক-যুবতী, যাঁরা আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে ভিড় করেছেন।
রাজ্যজুড়ে ৭৬৯টি শিবিরে প্রথম দিন মোট প্রায় ৬ লক্ষ ২৯ হাজার মানুষ অংশ নেন। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৫ লক্ষ ৬৬ হাজার আবেদন জমা পড়েছে যুবসাথী প্রকল্পে, যা মোট আবেদনের প্রায় ৯০ শতাংশ। একই সঙ্গে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে প্রায় ৩১ হাজার এবং খেতমজুরদের আর্থিক সহায়তা সংক্রান্ত প্রায় সাড়ে ৩৬ হাজার আবেদন জমা পড়েছে।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেটে যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়। চাকরির অপেক্ষায় থাকা বা স্বনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করা যুবসমাজকে আর্থিক সহায়তা দিতে এপ্রিল মাস থেকে মাসে ১,৫০০ টাকা করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। দ্রুত সুবিধা পৌঁছে দিতে রবিবার সকাল থেকেই বিশেষ শিবিরে আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে, যা চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

একাধিক কাউন্টার থাকায় দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয়নি আবেদনকারীদের। প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে এলে আধঘণ্টা থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। অনেকেই জানিয়েছেন, এই অর্থ দিয়ে তাঁরা চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি, পড়াশোনা বা পারিবারিক চিকিৎসার খরচ মেটাতে পারবেন।

জেলাশাসক থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা দিনভর শিবিরে উপস্থিত থেকে আবেদনকারীদের সহায়তা করেন। জমা পড়া ফর্ম দ্রুত অনলাইনে আপলোড হওয়ায় যাচাই প্রক্রিয়াও দ্রুত এগোবে বলে প্রশাসনের দাবি। পূর্ব বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদসহ বিভিন্ন জেলায় ভিড় সামাল দিতে প্রশাসনকে যথেষ্ট তৎপর থাকতে হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ, অধিকাংশ ঘটনা বিজেপি শাসিত রাজ্যে, উঠছে অভিযোগ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রথম দিনেই মমতার ‘যুবসাথী’তে ৫ লক্ষ আবেদন, জেলায় জেলায় শিবিরে ভিড়

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার

 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ‘যুবসাথী’ প্রকল্প প্রথম দিনেই বিপুল সাড়া ফেলেছে রাজ্যজুড়ে। পাহাড়, জঙ্গলমহল থেকে গঙ্গাসাগরের প্রত্যন্ত অঞ্চল—সর্বত্র স্বনির্ভর বাংলা শিবিরে সকাল থেকেই উপচে পড়া ভিড়। উপস্থিতদের বড় অংশই ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি যুবক-যুবতী, যাঁরা আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে ভিড় করেছেন।
রাজ্যজুড়ে ৭৬৯টি শিবিরে প্রথম দিন মোট প্রায় ৬ লক্ষ ২৯ হাজার মানুষ অংশ নেন। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৫ লক্ষ ৬৬ হাজার আবেদন জমা পড়েছে যুবসাথী প্রকল্পে, যা মোট আবেদনের প্রায় ৯০ শতাংশ। একই সঙ্গে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে প্রায় ৩১ হাজার এবং খেতমজুরদের আর্থিক সহায়তা সংক্রান্ত প্রায় সাড়ে ৩৬ হাজার আবেদন জমা পড়েছে।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেটে যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়। চাকরির অপেক্ষায় থাকা বা স্বনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করা যুবসমাজকে আর্থিক সহায়তা দিতে এপ্রিল মাস থেকে মাসে ১,৫০০ টাকা করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। দ্রুত সুবিধা পৌঁছে দিতে রবিবার সকাল থেকেই বিশেষ শিবিরে আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে, যা চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

একাধিক কাউন্টার থাকায় দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয়নি আবেদনকারীদের। প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে এলে আধঘণ্টা থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। অনেকেই জানিয়েছেন, এই অর্থ দিয়ে তাঁরা চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি, পড়াশোনা বা পারিবারিক চিকিৎসার খরচ মেটাতে পারবেন।

জেলাশাসক থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা দিনভর শিবিরে উপস্থিত থেকে আবেদনকারীদের সহায়তা করেন। জমা পড়া ফর্ম দ্রুত অনলাইনে আপলোড হওয়ায় যাচাই প্রক্রিয়াও দ্রুত এগোবে বলে প্রশাসনের দাবি। পূর্ব বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদসহ বিভিন্ন জেলায় ভিড় সামাল দিতে প্রশাসনকে যথেষ্ট তৎপর থাকতে হয়েছে।