২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় ক্লিনচিট পেলেন সিদ্দারামাইয়া

বেঙ্গালুরু: ‘কোনও প্রমাণ নেই।’ জমি কেলেঙ্কারি মামলায় বড়সড় স্বস্তি পেলেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। এদিন প্রমাণাভাবে সিদ্দারামাইয়া, স্ত্রী পার্বতী এবং এই মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তদের ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত। মহীশূর আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মুডা)-র কথিত জমি কেলেঙ্কারিতে শুধু সিদ্দারামাইয়াই নয়, স্ত্রী পার্বতী, তাঁর ভাই মল্লিকার্জুন-সহ আরও কয়েকজনের নামে এফআইআর দায়ের হয়েছিল।
কর্নাটক লোকায়ুক্ত পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম ৪ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তেমন শক্তপোক্ত কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তদের মধ্যে ৪ জনের বিরুদ্ধে প্রমাণের অভাব রয়েছে (কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া, তার স্ত্রী এবং অন্যান্য)। এ ছাড়া এদিন অভিযোগকারী স্নেহময়ী কৃষ্ণকেও নোটিশ জারি করা হয়েছে। সে সময় কর্নাটকের রাজ্যপাল সিদ্দারামাইয়ার বিরুদ্ধে মামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছিলেন। এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন, কিন্তু হাইকোর্টে বলেছিল, পিটিশনে উল্লেখিত বিষয়গুলোর তদন্ত হওয়া দরকার।
লোকায়ুক্ত পুলিশ আরও জানিয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মহীশূর আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির ৫০:৫০ অনুপাতে ক্ষতিপূরণমূলক প্লট দেওয়ার অভিযোগগুলোর আরও তদন্ত করা হবে এবং ১৭৩ (৮) সিআরপিসি ধারার অধীনে একটি অতিরিক্ত চূড়ান্ত রিপোর্ট হাইকোর্টে জমা দেওয়া হবে।
মহীশূর আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির কথিত জমি কেলেঙ্কারিতে রাজ্যপালের কাছে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সমাজকর্মী টিজে আব্রাহাম, প্রদীপ এবং স্নেহামিয়া কৃষ্ণা। তাঁদের অভিযোগ ছিল, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পদের অপব্যবহার করে বিজয়নগর লেআউটে জমি অধিগ্রহণ করেছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী বেআইনিভাবে মুডা-র জমি নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: কর্ণাটকে জাতি সমীক্ষার কারণে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি স্কুল বন্ধ থাকবে: সিদ্দারামাইয়া
সর্বধিক পাঠিত

এআই সামিটে বিক্ষোভ, মোদি বিরোধী স্লোগানে যুব কংগ্রেস কর্মী আটক

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় ক্লিনচিট পেলেন সিদ্দারামাইয়া

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, বুধবার

বেঙ্গালুরু: ‘কোনও প্রমাণ নেই।’ জমি কেলেঙ্কারি মামলায় বড়সড় স্বস্তি পেলেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। এদিন প্রমাণাভাবে সিদ্দারামাইয়া, স্ত্রী পার্বতী এবং এই মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তদের ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত। মহীশূর আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মুডা)-র কথিত জমি কেলেঙ্কারিতে শুধু সিদ্দারামাইয়াই নয়, স্ত্রী পার্বতী, তাঁর ভাই মল্লিকার্জুন-সহ আরও কয়েকজনের নামে এফআইআর দায়ের হয়েছিল।
কর্নাটক লোকায়ুক্ত পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম ৪ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তেমন শক্তপোক্ত কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তদের মধ্যে ৪ জনের বিরুদ্ধে প্রমাণের অভাব রয়েছে (কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া, তার স্ত্রী এবং অন্যান্য)। এ ছাড়া এদিন অভিযোগকারী স্নেহময়ী কৃষ্ণকেও নোটিশ জারি করা হয়েছে। সে সময় কর্নাটকের রাজ্যপাল সিদ্দারামাইয়ার বিরুদ্ধে মামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছিলেন। এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন, কিন্তু হাইকোর্টে বলেছিল, পিটিশনে উল্লেখিত বিষয়গুলোর তদন্ত হওয়া দরকার।
লোকায়ুক্ত পুলিশ আরও জানিয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মহীশূর আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির ৫০:৫০ অনুপাতে ক্ষতিপূরণমূলক প্লট দেওয়ার অভিযোগগুলোর আরও তদন্ত করা হবে এবং ১৭৩ (৮) সিআরপিসি ধারার অধীনে একটি অতিরিক্ত চূড়ান্ত রিপোর্ট হাইকোর্টে জমা দেওয়া হবে।
মহীশূর আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির কথিত জমি কেলেঙ্কারিতে রাজ্যপালের কাছে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সমাজকর্মী টিজে আব্রাহাম, প্রদীপ এবং স্নেহামিয়া কৃষ্ণা। তাঁদের অভিযোগ ছিল, মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পদের অপব্যবহার করে বিজয়নগর লেআউটে জমি অধিগ্রহণ করেছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী বেআইনিভাবে মুডা-র জমি নিয়েছেন।

আরও পড়ুন: কর্ণাটকে জাতি সমীক্ষার কারণে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি স্কুল বন্ধ থাকবে: সিদ্দারামাইয়া