১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সব ক্যামেরার সামনে হয়েছে, কেউ প্রমাণ চাইতে পারবেনা, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে হুঙ্কার মোদির

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার গুজরাতের গান্ধীনগরের জনসভা থেকে বিরোধীদের খোঁচা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সব ক্যামেরার সামনে করা হয়েছে, যাতে কেউ প্রমাণ চাইতে না পারে। অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য নিয়ে বক্তৃতা দিতে গিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

অপারেশন সিঁদুরের পর প্রথমবার গুজরাতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবারের পর মঙ্গলবারও জনসভা করেন তিনি। গান্ধীনগরের জনসভা থেকে মোদি বলেন, “ভারত হল সাহসীদের জন্মভূমি। এতদিন ধরে যেটাকে ছায়াযুদ্ধ বলে ধরা হত, ৬ মে-র পর থেকে সেটা আর বলা যাবে না। কারণ পাকিস্তানে যেসব জঙ্গি নিকেশ হয়েছিল তাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য হয়। কফিনের উপর পাক পতাকা রেখে স্যালুট করেছিল সেনা। তাই ছায়াযুদ্ধ নয়, এটা পুরোপুরি পরিকল্পিত হামলা।”

আরও পড়ুন: মানুষের মৃত্যুকে নাটক বলছেন? নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র আক্রমণ অভিষেকের

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যে জঙ্গিদের ৯টি ডেরা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আর এবার পুরোটাই ঘটেছে ক্যামেরার সামনে, যেন ঘরে ফিরে আসার পর আর কেউ প্রমাণ চাইতে না পারে।” ২০১৯ সালে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের পর ওয়াকিবহাল মহল থেকে নানারকম প্রশ্ন ওঠে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছিলেন, আদৌ এই ধরনের কোনও স্ট্রাইক হয়েছে কিনা?

আরও পড়ুন: অপারেশন সিঁদুর শুধুমাত্র ‘ট্রেলার’ ছিল, আমরা সর্বদা ‘সবক’ শেখাতে প্রস্তুত: হুঁশিয়ারি সেনাপ্রধানের

কেউ প্রশ্ন তুলছিলেন, যদি স্ট্রাইক হয়ে থাকে তাহলে বায়ুসেনা নির্ধারিত লক্ষ্যে আঘাত হানতে পেরেছে কিনা? এয়ার স্ট্রাইকে পাকিস্তানের আদৌ কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা বা কোনও জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে কিনা এমন হাজারো প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছিল ভারতীয় বায়ুসেনাকে। বালাকোটে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংসের প্রমাণ কোথায় তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। অপারেশন সিঁদুরের পর এমন প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলে জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আরও পড়ুন: বিহারে ফের জঙ্গল-রাজ ফেরানোর চেষ্টা হচ্ছে, ভোট প্রচারে এসে রাহুল-তেজস্বীদের আক্রমণ মোদির

 

 

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

মানসিক অবসাদ থেকে চরম সিদ্ধান্ত, উত্তরপ্রদেশে ১১ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা যুবকের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সব ক্যামেরার সামনে হয়েছে, কেউ প্রমাণ চাইতে পারবেনা, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে হুঙ্কার মোদির

আপডেট : ২৭ মে ২০২৫, মঙ্গলবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার গুজরাতের গান্ধীনগরের জনসভা থেকে বিরোধীদের খোঁচা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সব ক্যামেরার সামনে করা হয়েছে, যাতে কেউ প্রমাণ চাইতে না পারে। অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য নিয়ে বক্তৃতা দিতে গিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

অপারেশন সিঁদুরের পর প্রথমবার গুজরাতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবারের পর মঙ্গলবারও জনসভা করেন তিনি। গান্ধীনগরের জনসভা থেকে মোদি বলেন, “ভারত হল সাহসীদের জন্মভূমি। এতদিন ধরে যেটাকে ছায়াযুদ্ধ বলে ধরা হত, ৬ মে-র পর থেকে সেটা আর বলা যাবে না। কারণ পাকিস্তানে যেসব জঙ্গি নিকেশ হয়েছিল তাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য হয়। কফিনের উপর পাক পতাকা রেখে স্যালুট করেছিল সেনা। তাই ছায়াযুদ্ধ নয়, এটা পুরোপুরি পরিকল্পিত হামলা।”

আরও পড়ুন: মানুষের মৃত্যুকে নাটক বলছেন? নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র আক্রমণ অভিষেকের

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যে জঙ্গিদের ৯টি ডেরা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আর এবার পুরোটাই ঘটেছে ক্যামেরার সামনে, যেন ঘরে ফিরে আসার পর আর কেউ প্রমাণ চাইতে না পারে।” ২০১৯ সালে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের পর ওয়াকিবহাল মহল থেকে নানারকম প্রশ্ন ওঠে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছিলেন, আদৌ এই ধরনের কোনও স্ট্রাইক হয়েছে কিনা?

আরও পড়ুন: অপারেশন সিঁদুর শুধুমাত্র ‘ট্রেলার’ ছিল, আমরা সর্বদা ‘সবক’ শেখাতে প্রস্তুত: হুঁশিয়ারি সেনাপ্রধানের

কেউ প্রশ্ন তুলছিলেন, যদি স্ট্রাইক হয়ে থাকে তাহলে বায়ুসেনা নির্ধারিত লক্ষ্যে আঘাত হানতে পেরেছে কিনা? এয়ার স্ট্রাইকে পাকিস্তানের আদৌ কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা বা কোনও জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে কিনা এমন হাজারো প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছিল ভারতীয় বায়ুসেনাকে। বালাকোটে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংসের প্রমাণ কোথায় তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। অপারেশন সিঁদুরের পর এমন প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলে জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আরও পড়ুন: বিহারে ফের জঙ্গল-রাজ ফেরানোর চেষ্টা হচ্ছে, ভোট প্রচারে এসে রাহুল-তেজস্বীদের আক্রমণ মোদির