০২ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ১৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কসবার ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: কসবার সাউথ ল কলেজের পড়ুয়াকে ২৫ জুন ধর্ষণ করা হয়। এবার সেই ধর্ষণের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করার আবেদন। সত্যম সিং নামে এক আইনজীবী এই আবেদন জানিয়েছেন। সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধায়ক মদন মিত্রের ‘অযাচিত মন্তব্যের’ প্রসঙ্গও উল্লেখ রয়েছে আবেদনে।

কসবার ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টেও দু’জন আলাদা ব্যক্তি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন। তদন্তে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে রাখা হোক, সেই আবেদনও করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সোমবার থেকে খুলতে পারে সাউথ ক্যালকাটা ল’ কলেজ, আজ রাতেই নোটিশ

শুক্রবার ২৭ জুন, দক্ষিণ কলকাতার আইন কলেজের পড়ুয়াকে ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসে। ধর্ষণের ঘটনার একদিন পর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ২৬ জুন কসবা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। বৃহস্পতিবার মনোজিৎ মিশ্র (৩১), জইব আহমেদ (১৯) এবং প্রমিত মুখোপাধ্যায় (২০) নামে তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র ওই কলেজের প্রাক্তনী এবং বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে আইন কলেজে কাজ করছিলেন।

এই ঘটনার পরেই  শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন,  ‘সহপাঠী যদি সহপাঠিনীকে ধর্ষণ করেন, সেক্ষেত্রে নিরাপত্তা দেবে কে?’  অন্যদিকে, কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের মন্তব্য নিয়েও বিস্তর শোরগোল পড়ে যায়। তিনি বলেছিলেন, ‘মেয়েটি না গেলে এ ঘটনা ঘটত না। সেখানে যাওয়ার আগে যদি জানিয়ে যেত বা কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে যেত, তাহলেও এ ঘটনা এড়ানো যেত। এরপর তৃণমূলের অফিশিয়াল সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডল থেকে এই দুই নেতার মন্তব্যের নিন্দা করা হয়। ঘটনায় শো-কজ করা হয়েছে মদন মিত্রকেও।

সর্বধিক পাঠিত

রাশিয়ায় আছড়ে পড়ল ইউক্রেনীয় ড্রোন, হামলা নিহত ২৪ জন নাগরিক

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কসবার ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন

আপডেট : ৩০ জুন ২০২৫, সোমবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: কসবার সাউথ ল কলেজের পড়ুয়াকে ২৫ জুন ধর্ষণ করা হয়। এবার সেই ধর্ষণের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করার আবেদন। সত্যম সিং নামে এক আইনজীবী এই আবেদন জানিয়েছেন। সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধায়ক মদন মিত্রের ‘অযাচিত মন্তব্যের’ প্রসঙ্গও উল্লেখ রয়েছে আবেদনে।

কসবার ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টেও দু’জন আলাদা ব্যক্তি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন। তদন্তে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে রাখা হোক, সেই আবেদনও করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সোমবার থেকে খুলতে পারে সাউথ ক্যালকাটা ল’ কলেজ, আজ রাতেই নোটিশ

শুক্রবার ২৭ জুন, দক্ষিণ কলকাতার আইন কলেজের পড়ুয়াকে ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসে। ধর্ষণের ঘটনার একদিন পর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ২৬ জুন কসবা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। বৃহস্পতিবার মনোজিৎ মিশ্র (৩১), জইব আহমেদ (১৯) এবং প্রমিত মুখোপাধ্যায় (২০) নামে তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র ওই কলেজের প্রাক্তনী এবং বর্তমানে চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে আইন কলেজে কাজ করছিলেন।

এই ঘটনার পরেই  শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন,  ‘সহপাঠী যদি সহপাঠিনীকে ধর্ষণ করেন, সেক্ষেত্রে নিরাপত্তা দেবে কে?’  অন্যদিকে, কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের মন্তব্য নিয়েও বিস্তর শোরগোল পড়ে যায়। তিনি বলেছিলেন, ‘মেয়েটি না গেলে এ ঘটনা ঘটত না। সেখানে যাওয়ার আগে যদি জানিয়ে যেত বা কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে যেত, তাহলেও এ ঘটনা এড়ানো যেত। এরপর তৃণমূলের অফিশিয়াল সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডল থেকে এই দুই নেতার মন্তব্যের নিন্দা করা হয়। ঘটনায় শো-কজ করা হয়েছে মদন মিত্রকেও।