১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকার দিকে নজর ফেরানোয় তারেক রহমানের শপথগ্রহণে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর সম্ভাবনা রয়েছে

পুবের কলম
ঢাকা ,নয়াদিল্লি ১৪ ফেব্রূয়ারি :

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। শনিবার এ কথা জানিয়েছেন তারেকের বিদেশ উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর। তবে, সেই আমন্ত্রণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও তরফেই প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হতেই বিএনপি প্রধান তারেককে সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি । পরে ফোনে কথাও বলেন তাঁরা।
সূত্র জানায়, দক্ষিণ এশিয়ার এক বড় কূটনৈতিক অগ্রগতির অংশ হিসেবে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাংলাদেশের নির্বাচনে দলের জয়ের পর তাদের নেতা তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে। সূত্র আরও জানায়, অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক নেতাদের আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তুতি চলছে এবং প্রধানমন্ত্রী মোদি অন্যতম প্রধান আমন্ত্রিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদি তারেক রহমানের সাথে কথা বলার বিষয়টি নিশ্চিত করার একদিন পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হল। এক্স -তে একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদী লিখেছেন, “জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলতে পেরে আনন্দিত। বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য আমি তাকে অভিনন্দন জানাই।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে তার প্রচেষ্টায় আমার শুভেচ্ছা এবং সমর্থন জানিয়েছি।”
শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “দুটি ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে, যাদের গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে, আমি আমাদের উভয় জনগণের শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির প্রতি ভারতের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছি।”
সূত্রমতে, বিএনপি নেতৃত্ব কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে এই অনুষ্ঠানে প্রধান আঞ্চলিক রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানোর কথা বিবেচনা করছে। যদি মোদি যোগ দেন, তাহলে ঢাকায় নতুন নেতৃত্বের অধীনে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে পারে। এখনও পর্যন্ত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের তারিখ বা বিদেশী নেতাদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি ।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বিএনপির ঐতিহাসিক জয়: বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে এই তারেক রহমান?

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ঢাকার দিকে নজর ফেরানোয় তারেক রহমানের শপথগ্রহণে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর সম্ভাবনা রয়েছে

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার

পুবের কলম
ঢাকা ,নয়াদিল্লি ১৪ ফেব্রূয়ারি :

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। শনিবার এ কথা জানিয়েছেন তারেকের বিদেশ উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর। তবে, সেই আমন্ত্রণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও তরফেই প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হতেই বিএনপি প্রধান তারেককে সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি । পরে ফোনে কথাও বলেন তাঁরা।
সূত্র জানায়, দক্ষিণ এশিয়ার এক বড় কূটনৈতিক অগ্রগতির অংশ হিসেবে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাংলাদেশের নির্বাচনে দলের জয়ের পর তাদের নেতা তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে। সূত্র আরও জানায়, অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক নেতাদের আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তুতি চলছে এবং প্রধানমন্ত্রী মোদি অন্যতম প্রধান আমন্ত্রিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদি তারেক রহমানের সাথে কথা বলার বিষয়টি নিশ্চিত করার একদিন পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হল। এক্স -তে একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদী লিখেছেন, “জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলতে পেরে আনন্দিত। বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য আমি তাকে অভিনন্দন জানাই।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে তার প্রচেষ্টায় আমার শুভেচ্ছা এবং সমর্থন জানিয়েছি।”
শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “দুটি ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে, যাদের গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে, আমি আমাদের উভয় জনগণের শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির প্রতি ভারতের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছি।”
সূত্রমতে, বিএনপি নেতৃত্ব কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে এই অনুষ্ঠানে প্রধান আঞ্চলিক রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানোর কথা বিবেচনা করছে। যদি মোদি যোগ দেন, তাহলে ঢাকায় নতুন নেতৃত্বের অধীনে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে পারে। এখনও পর্যন্ত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের তারিখ বা বিদেশী নেতাদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি ।