১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার তাণ্ডব হরিয়ানার গির্জায়, ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল যিশুর মূর্তি

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ দেশজুড়ে  মুসলিমদের মতোই আক্রান্ত খ্রিস্টানরাও। মোদি সরকারের জমানায় সংখ্যালঘুদের উপর উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের তাণ্ডব অব্যাহত। খ্রিস্টমাসে (২৫ ডিসেম্বর) আগ্রা ও কর্নাটকে গির্জায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদী ধর্মান্ধদের হাত থেকে রেহাই নেই পরের দিনেও। রবিবার দুপুরে হরিয়ানার আম্বালায় যিশুখ্রিস্টের মূর্তি ভাঙচুর করল তারা। গির্জায় ঢুকে রীতিমতো তাণ্ডব চালায় তারা। পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

বিজেপিশাসিত হরিয়ানায় খ্রিস্টানদের উপর এই ধরনের হামলার ঘটনা নিয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল ভিজ বলেছেন– তিনি  আশাবাদী সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। মন্ত্রীর কথায়– ‘আমরা পুলিশের তিনটি টিমকে দায়িত্ব দিয়েছি অপরাধীদের ধরার জন্য। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। আমাদের আশা– ভিডিয়ো ফুটেজের উপর ভিত্তি করে আমরা খুব শীঘ্রই এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের গ্রেফতার করতে পারব।’

আরও পড়ুন: ফের হিংসার আগুন মণিপুরে, দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে অন্তত ১০টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

এই ঘটনা প্রসঙ্গে সদর পুলিশ স্টেশনের স্টেশন হাউজ অফিসার নরেশ জানান– ‘দু’জন লোক বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ বাউন্ডারির দেওয়াল টপকে ভিতরে ঢুকে পড়ে এবং ১টা ৪০ মিনিট নাগাদ যিশুখ্রিস্টের মূর্তি ভাঙচুর করে।

আরও পড়ুন: হাওড়ায় হঠাৎ বাড়িতে আগুন, অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু একই পরিবারের চার সদস্যের

তবে তাদের এখনও শনাক্ত করা যায়নি। ঘটনার তদন্তে পুলিশ টিমকে নিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: চাঁদাবাজির অভিযোগ, মণিপুর থেকে গ্রেফতার ৫ নিষিদ্ধ-সংগঠনের সদস্য

 

এর আগে শনিবার সকালে গুরগাঁওয়ে পতৌদি এলাকার একটি গির্জায় খ্রিস্টানদের প্রার্থনা চলাকালীন সেখানে হামলা চালায় উগ্রবাদীরা।

 

তারা বজরং দলের সদস্য বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। গির্জার ভিতরে ঢুকে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে থাকে। ভাঙচুর চালাতে শুরু করে। কর্নাটকের নির্মলা ইংলিশ হাইস্কুল ও কলেজে প্রার্থনা চলাকালীনও হামলা চালায় উগ্রবাদী ধর্মান্ধরা। শিক্ষিকা ও পড়ুয়াদের হুমকি দেওয়া হয়।

সর্বধিক পাঠিত

তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনালাপে উচ্ছ্বসিত নরেন্দ্র মোদি, বাংলাদেশের মানুষের আশাপূরণে পাশে থাকার বার্তা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এবার তাণ্ডব হরিয়ানার গির্জায়, ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল যিশুর মূর্তি

আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০২১, সোমবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ দেশজুড়ে  মুসলিমদের মতোই আক্রান্ত খ্রিস্টানরাও। মোদি সরকারের জমানায় সংখ্যালঘুদের উপর উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের তাণ্ডব অব্যাহত। খ্রিস্টমাসে (২৫ ডিসেম্বর) আগ্রা ও কর্নাটকে গির্জায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদী ধর্মান্ধদের হাত থেকে রেহাই নেই পরের দিনেও। রবিবার দুপুরে হরিয়ানার আম্বালায় যিশুখ্রিস্টের মূর্তি ভাঙচুর করল তারা। গির্জায় ঢুকে রীতিমতো তাণ্ডব চালায় তারা। পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তবে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

বিজেপিশাসিত হরিয়ানায় খ্রিস্টানদের উপর এই ধরনের হামলার ঘটনা নিয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল ভিজ বলেছেন– তিনি  আশাবাদী সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। মন্ত্রীর কথায়– ‘আমরা পুলিশের তিনটি টিমকে দায়িত্ব দিয়েছি অপরাধীদের ধরার জন্য। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি। আমাদের আশা– ভিডিয়ো ফুটেজের উপর ভিত্তি করে আমরা খুব শীঘ্রই এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের গ্রেফতার করতে পারব।’

আরও পড়ুন: ফের হিংসার আগুন মণিপুরে, দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে অন্তত ১০টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

এই ঘটনা প্রসঙ্গে সদর পুলিশ স্টেশনের স্টেশন হাউজ অফিসার নরেশ জানান– ‘দু’জন লোক বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ বাউন্ডারির দেওয়াল টপকে ভিতরে ঢুকে পড়ে এবং ১টা ৪০ মিনিট নাগাদ যিশুখ্রিস্টের মূর্তি ভাঙচুর করে।

আরও পড়ুন: হাওড়ায় হঠাৎ বাড়িতে আগুন, অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু একই পরিবারের চার সদস্যের

তবে তাদের এখনও শনাক্ত করা যায়নি। ঘটনার তদন্তে পুলিশ টিমকে নিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: চাঁদাবাজির অভিযোগ, মণিপুর থেকে গ্রেফতার ৫ নিষিদ্ধ-সংগঠনের সদস্য

 

এর আগে শনিবার সকালে গুরগাঁওয়ে পতৌদি এলাকার একটি গির্জায় খ্রিস্টানদের প্রার্থনা চলাকালীন সেখানে হামলা চালায় উগ্রবাদীরা।

 

তারা বজরং দলের সদস্য বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। গির্জার ভিতরে ঢুকে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে থাকে। ভাঙচুর চালাতে শুরু করে। কর্নাটকের নির্মলা ইংলিশ হাইস্কুল ও কলেজে প্রার্থনা চলাকালীনও হামলা চালায় উগ্রবাদী ধর্মান্ধরা। শিক্ষিকা ও পড়ুয়াদের হুমকি দেওয়া হয়।