১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লকডাউনের চেহারা নিল রাজধানী, দিল্লিতে বন্ধ হল বেসরকারি অফিস, রেস্তরাঁ, বার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ মাত্রাছাড়া করোনা সংক্রমণে প্রভাবে এবার দিল্লিতে বন্ধ হল বেসরকারি অফিস, রেস্তরাঁ। কার্যত লকডাউনে পরিণত হল রাজধানী। শুধুমাত্র জরুরি ভিত্তিতে অফিস খোলা হবে। বাকি সব অফিস বন্ধ থাকবে।

করোনা তৃতীয় ওয়েভের ধাক্কায় সংক্রমণের শীর্ষে দিল্লি। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এই সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, এখনই লকডাউনের পথে হাঁটছে না সরকার। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর পরেই    ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে অফিস চালানোর অনুমতি দিয়েছিল দিল্লি সরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের ভিত্তিতে সরকারের তরফ থেকে এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে,  যে সমস্ত বেসরকারি অফিস জরুরি পরিষেবা প্রদান করে, সেই অফিসগুলি বাদ দিয়ে বাকি সব অফিস বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে রেস্তরাঁও ও বার।  বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের ওয়ার্ক ফর্ম করতে হবে।

কার্যত বার বার লকডাউনে মাথায় হাত পড়েছে রেস্তরাঁ ব্যবসায়ীদের। প্রথমবার টানা লকডাউনের পর আসতে আসতে স্বাভাবিক হচ্ছিল রাজধানী।

দিল্লিতে সংক্রমণের বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল। তবে সরকারের তরফ থেকে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনকে কড়াভাবে নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে কেজরি সরকার।

সর্বধিক পাঠিত

সপ্তাহান্তে উত্তরবঙ্গকে জোড়া উপহার মুখ্যমন্ত্রীর, শিলান্যাস মহাকাল মন্দিরের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

লকডাউনের চেহারা নিল রাজধানী, দিল্লিতে বন্ধ হল বেসরকারি অফিস, রেস্তরাঁ, বার

আপডেট : ১১ জানুয়ারী ২০২২, মঙ্গলবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ মাত্রাছাড়া করোনা সংক্রমণে প্রভাবে এবার দিল্লিতে বন্ধ হল বেসরকারি অফিস, রেস্তরাঁ। কার্যত লকডাউনে পরিণত হল রাজধানী। শুধুমাত্র জরুরি ভিত্তিতে অফিস খোলা হবে। বাকি সব অফিস বন্ধ থাকবে।

করোনা তৃতীয় ওয়েভের ধাক্কায় সংক্রমণের শীর্ষে দিল্লি। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এই সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, এখনই লকডাউনের পথে হাঁটছে না সরকার। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর পরেই    ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে অফিস চালানোর অনুমতি দিয়েছিল দিল্লি সরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের ভিত্তিতে সরকারের তরফ থেকে এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে,  যে সমস্ত বেসরকারি অফিস জরুরি পরিষেবা প্রদান করে, সেই অফিসগুলি বাদ দিয়ে বাকি সব অফিস বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে রেস্তরাঁও ও বার।  বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের ওয়ার্ক ফর্ম করতে হবে।

কার্যত বার বার লকডাউনে মাথায় হাত পড়েছে রেস্তরাঁ ব্যবসায়ীদের। প্রথমবার টানা লকডাউনের পর আসতে আসতে স্বাভাবিক হচ্ছিল রাজধানী।

দিল্লিতে সংক্রমণের বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল। তবে সরকারের তরফ থেকে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনকে কড়াভাবে নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে কেজরি সরকার।