২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বৃষ্টি চেয়ে ব্যাঙের বিয়ে, আয়োজন দেখলে অবাক হয়ে যাবেন

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ বিয়ে তো মানুষের হয়। তবে ব্যাঙের বিয়ে হয় কখনও শুনেছিন কি? আর শুনে থাকলেও, কি কারণে বিয়ে হয়েছে সেটা জানলে আপনি চমকে যাবেন।

আষাঢ় মাস শেষ হয়ে শ্রাবণ মাস হতে চলল। বৃষ্টির লেশ মাত্র নেই। মাঠেই শুকোচ্ছে পাট। এমনকি ব্যাপক ক্ষতির মুখে ধান চাষও। এমত অবস্থায় বৃষ্টির আশায় গ্রাম বাংলার প্রাচীন রীতিপালন করে ব্যাঙের বিয়ে দিলেন মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার যুবকরা। হাস্যকৌতুক হলেও এটাই সত্য। অনাবৃষ্টি ও খরা থেকে বাঁচতেই এই সিদ্ধান্ত নেন ওই গ্রামের কিছু যুবক। এমনকি পালকিতে করে বিয়ের আয়োজন চলে বলেও খবর। খরা থেকে রেহাই পেতে বাংলা সহ গোটা দেশে একসময়ে এই রীতি ছিল বহুল প্রচলিত।

আরও পড়ুন: বিয়ের আসরে রক্তপাত: প্রেমিকের গুলিতে ঝাঁঝরা কনে, বরের সামনেই চলল তাণ্ডব

সূত্রের খবর, হিন্দু ধর্মের রীতিনীতি অনুযায়ী বিয়ের জন্য মণ্ডপ, মালা বদল অনুষ্ঠান, গায়ে হলুদ, আশীর্বাদের ধান-দূর্বা, সাত পাক ঘোরা, সিঁদুর দান, পুরোহিতের মন্ত্র পাঠ, শঙ্খের ধ্বনি, খাওয়াদাওয়া, নাচ গান প্রায় সবকিছুর নিয়ম ছিল ব্যাঙের এই বিয়েতে।

আরও পড়ুন: ভারী তুষারপাত ও বৃষ্টির জেরে স্থবির হিমাচল প্রদেশ, বন্ধ ১২৫০টিরও বেশি রাস্তা

এমনকি এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত নবদম্পতিরা নববধূকে দান করেছেন নগদ অর্থও। একদম ধূমধাম করে সব রীতিনীতি মেনেই এই বিবাহ সম্পন্ন হয় বলে সূত্রে খবর। তবে একসময় ব্যাঙের বিয়ে ভালোই প্রচলিত ছিল, তবে আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারায় ‘সংস্কার-কুসংস্কারের’ বেড়াজালে অনেকটাই কমে এসেছে এই রেওয়াজ। জানা গেছে, খরা ও অনাবৃষ্টি থেকে বাঁচতে হরিহরপাড়ায় এই বিয়ে হয়। এমনকি ব্যাঙের বিয়ে দেখতে ভিড় জমিয়েছে অনেকেই।

আরও পড়ুন: মন্থার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

অসমে নেহরুর মূর্তি ভাঙচুর: জেসিবি দিয়ে উপড়ে ফেলা হলো আবক্ষ মূর্তি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বৃষ্টি চেয়ে ব্যাঙের বিয়ে, আয়োজন দেখলে অবাক হয়ে যাবেন

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২২, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ বিয়ে তো মানুষের হয়। তবে ব্যাঙের বিয়ে হয় কখনও শুনেছিন কি? আর শুনে থাকলেও, কি কারণে বিয়ে হয়েছে সেটা জানলে আপনি চমকে যাবেন।

আষাঢ় মাস শেষ হয়ে শ্রাবণ মাস হতে চলল। বৃষ্টির লেশ মাত্র নেই। মাঠেই শুকোচ্ছে পাট। এমনকি ব্যাপক ক্ষতির মুখে ধান চাষও। এমত অবস্থায় বৃষ্টির আশায় গ্রাম বাংলার প্রাচীন রীতিপালন করে ব্যাঙের বিয়ে দিলেন মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার যুবকরা। হাস্যকৌতুক হলেও এটাই সত্য। অনাবৃষ্টি ও খরা থেকে বাঁচতেই এই সিদ্ধান্ত নেন ওই গ্রামের কিছু যুবক। এমনকি পালকিতে করে বিয়ের আয়োজন চলে বলেও খবর। খরা থেকে রেহাই পেতে বাংলা সহ গোটা দেশে একসময়ে এই রীতি ছিল বহুল প্রচলিত।

আরও পড়ুন: বিয়ের আসরে রক্তপাত: প্রেমিকের গুলিতে ঝাঁঝরা কনে, বরের সামনেই চলল তাণ্ডব

সূত্রের খবর, হিন্দু ধর্মের রীতিনীতি অনুযায়ী বিয়ের জন্য মণ্ডপ, মালা বদল অনুষ্ঠান, গায়ে হলুদ, আশীর্বাদের ধান-দূর্বা, সাত পাক ঘোরা, সিঁদুর দান, পুরোহিতের মন্ত্র পাঠ, শঙ্খের ধ্বনি, খাওয়াদাওয়া, নাচ গান প্রায় সবকিছুর নিয়ম ছিল ব্যাঙের এই বিয়েতে।

আরও পড়ুন: ভারী তুষারপাত ও বৃষ্টির জেরে স্থবির হিমাচল প্রদেশ, বন্ধ ১২৫০টিরও বেশি রাস্তা

এমনকি এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত নবদম্পতিরা নববধূকে দান করেছেন নগদ অর্থও। একদম ধূমধাম করে সব রীতিনীতি মেনেই এই বিবাহ সম্পন্ন হয় বলে সূত্রে খবর। তবে একসময় ব্যাঙের বিয়ে ভালোই প্রচলিত ছিল, তবে আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারায় ‘সংস্কার-কুসংস্কারের’ বেড়াজালে অনেকটাই কমে এসেছে এই রেওয়াজ। জানা গেছে, খরা ও অনাবৃষ্টি থেকে বাঁচতে হরিহরপাড়ায় এই বিয়ে হয়। এমনকি ব্যাঙের বিয়ে দেখতে ভিড় জমিয়েছে অনেকেই।

আরও পড়ুন: মন্থার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি