০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গরুকে জাতীয় পশু করার দাবিতে মামলা, শীর্ষ কোর্টে বিরক্ত বিচারপতি

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: জাতীয় পশু বাঘ কেনো? গরুকে জাতীয় পশু করতে হওয়ার দাবিতে কোর্টে মামলা। সুপ্রিম কোর্টে বিরক্তি প্রকাশ বিচারপতির।

 

আরও পড়ুন: নাগরিকের গোপনীয়তা নিয়ে আপস নয়—Meta-কে কড়া সতর্কবার্তা সুপ্রিম কোর্টের

উল্লেখ্য, দেশে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারই জাতীয় পশু হিসাবে ঘোষিত। জাতীয় পশু হিসেবে মর্যাদা দিতে হবে গরুকে, এই আর্জি নিয়ে সরাসরি দেশের শীর্ষ আদালতে দায়ের করা হয়েছিল একটি জনস্বার্থ মামলা।

আরও পড়ুন: তামিলনাড়ু এসআইআর: ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র তালিকা প্রকাশের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

 

আরও পড়ুন: UGC-র বিতর্কিত নির্দেশিকায় স্থগিতাদেশ, সুপ্রিম কোর্টের আক্ষেপ, ‘৭৫ বছরেও কি জাতিমুক্ত সমাজ গড়তে পারলাম না!’

গোবংশ সেবা সদন নামে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের দাবি, গরুকেই এবার থেকে দেশের জাতীয় পশু বলে ঘোষণা করতে হবে। কিন্তু ওই মামলার শুনানিতে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করে সেই আর্জি খারিজ করে দিলেন বিচারপতিরা।

 

মামলাকারীর করা মামলায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচারপতি বলেন, এটি কি আদেও আদালতের কাজ। এরকম একটি মামলা শীর্ষ কোর্ট পর্যন্ত পৌঁছিয়েছে, এই ঘটনায় রীতিমত হতবাক বিচারপতিরা। আপনারা এমন ধরনের আবেদন কেন করেন যেখানে আমরা জরিমানা ধার্য করতে বাধ্য হই? কোনও মৌলিক অধিকার হনন হয়েছে?’

 

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজের আবেদনের স্বপক্ষে ওই মামলাকারী তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে একটি আবেদনপত্র জমা করেছিলেন ৷ আদালতে জমা দেওয়া সেই আবেদনপত্রে বলা হয়, দেশে গরুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি ৷ ভারত সরকারের এই কাজটি করা দরকার। গো-মূত্র থেকে গোবর সবই কাজে লাগে, গোরু রক্ষা করা তাই খুবই জরুরি।

 

একথা শোনার পর পাল্টা আদালতের তরফেই সংশ্লিষ্ট আইনজীবীকে সতর্ক করা হয় ৷ তাঁকে বলা হয়, এমন আবেদনপত্র আদালতে জমা দেওয়ার জন্য তাঁকে জরিমানা করা হতে পারে ৷ এরপরই সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ওই আবেদনপত্র প্রত্যাহার করে নেন ৷ ফলে সেখানেই মামলা শেষ হয় ৷

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

SIR নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মামলার শুনানি আগামীকাল

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গরুকে জাতীয় পশু করার দাবিতে মামলা, শীর্ষ কোর্টে বিরক্ত বিচারপতি

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২২, মঙ্গলবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: জাতীয় পশু বাঘ কেনো? গরুকে জাতীয় পশু করতে হওয়ার দাবিতে কোর্টে মামলা। সুপ্রিম কোর্টে বিরক্তি প্রকাশ বিচারপতির।

 

আরও পড়ুন: নাগরিকের গোপনীয়তা নিয়ে আপস নয়—Meta-কে কড়া সতর্কবার্তা সুপ্রিম কোর্টের

উল্লেখ্য, দেশে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারই জাতীয় পশু হিসাবে ঘোষিত। জাতীয় পশু হিসেবে মর্যাদা দিতে হবে গরুকে, এই আর্জি নিয়ে সরাসরি দেশের শীর্ষ আদালতে দায়ের করা হয়েছিল একটি জনস্বার্থ মামলা।

আরও পড়ুন: তামিলনাড়ু এসআইআর: ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র তালিকা প্রকাশের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

 

আরও পড়ুন: UGC-র বিতর্কিত নির্দেশিকায় স্থগিতাদেশ, সুপ্রিম কোর্টের আক্ষেপ, ‘৭৫ বছরেও কি জাতিমুক্ত সমাজ গড়তে পারলাম না!’

গোবংশ সেবা সদন নামে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের দাবি, গরুকেই এবার থেকে দেশের জাতীয় পশু বলে ঘোষণা করতে হবে। কিন্তু ওই মামলার শুনানিতে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করে সেই আর্জি খারিজ করে দিলেন বিচারপতিরা।

 

মামলাকারীর করা মামলায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচারপতি বলেন, এটি কি আদেও আদালতের কাজ। এরকম একটি মামলা শীর্ষ কোর্ট পর্যন্ত পৌঁছিয়েছে, এই ঘটনায় রীতিমত হতবাক বিচারপতিরা। আপনারা এমন ধরনের আবেদন কেন করেন যেখানে আমরা জরিমানা ধার্য করতে বাধ্য হই? কোনও মৌলিক অধিকার হনন হয়েছে?’

 

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজের আবেদনের স্বপক্ষে ওই মামলাকারী তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে একটি আবেদনপত্র জমা করেছিলেন ৷ আদালতে জমা দেওয়া সেই আবেদনপত্রে বলা হয়, দেশে গরুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি ৷ ভারত সরকারের এই কাজটি করা দরকার। গো-মূত্র থেকে গোবর সবই কাজে লাগে, গোরু রক্ষা করা তাই খুবই জরুরি।

 

একথা শোনার পর পাল্টা আদালতের তরফেই সংশ্লিষ্ট আইনজীবীকে সতর্ক করা হয় ৷ তাঁকে বলা হয়, এমন আবেদনপত্র আদালতে জমা দেওয়ার জন্য তাঁকে জরিমানা করা হতে পারে ৷ এরপরই সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ওই আবেদনপত্র প্রত্যাহার করে নেন ৷ ফলে সেখানেই মামলা শেষ হয় ৷