১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এখনও মিলছে লাশ, ২ দেশে নিহত বেড়ে প্রায় ৫০ হাজার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: তুরস্ক ও সিরিয়ায় গত ৬ ফেব্রুয়ারির ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছুঁতে চলেছে।  জীবিতদের উদ্ধারের আশা ছেড়ে দিলেও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ জারি রয়েছে। সেখানে এখনও মিলছে লাশ।

তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এএফএডি জানিয়েছে, তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা ৪৯ হাজার ছাড়িয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারির পর এখনও পর্যন্ত ১৭ হাজারেরও বেশি আফটার শক্ হয়েছে। এর মধ্যে ৭ হাজার ২০০টিরও বেশি আফটার শক্ ছিল ৫ মাত্রার ওপরে।

গত সোমবার নতুন করে জোড়া ভূমিকম্পে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে তুরস্কে। রাষ্ট্রসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি জানিয়েছে, তারা ভূমিকম্পের ধ্বংসাবশেষ সরাতে এবং ব্যবস্থাপনায় তুরস্ককে সহায়তা করার পরিকল্পনা করেছে।

সংস্থাটি জানায়, এই দুর্যোগে ১১৬ মিলিয়ন থেকে ২১০ মিলিয়ন টন ধ্বংসস্তূপ তৈরি হয়েছে। এই ধ্বংসস্তূপ দিয়ে ৩০ কিলোমিটার বাই ৩০ কিলোমিটারের স্তূপ বানানো যাবে। তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমান সোইলু বলেন, ‘ভূমিকম্পগুলি ১ লক্ষ ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে আঘাত হেনেছিল।

এই এলাকা তিনটি নেদারল্যান্ডসের সমান।’ তুরস্কের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে,  মোট ৯০ হাজার ১৫টি তাঁবু, ১৬৭টি কন্টেইনার এবং ৯৯৯টি মোবাইল হাইজিন ইউনিট সহায়তা হিসাবে পেয়েছে তুরস্ক।

এরই পাশাপাশি সহায়তার অংশ হিসেবে ১৩ লক্ষ ৪৪ হাজার ২৩৪টি কম্বল, ১ লক্ষ ৯৬ হাজার ৫৩৮টি স্লিপিং ব্যাগ, ৭৪ হাজার ৭৫০টি বিছানা, ২৬ হাজার ৬২২টি জেনারেটর, ৫,৭২২ টন জামাকাপড়, ৩,০৬৫ টন স্বাস্থ্যসম্মত চিকিৎসা সামগ্রী এবং ৫,৬৭৮ টন খাদ্য পৌঁছেছে তুরস্কে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

অঙ্কিতা ভাণ্ডারি হত্যাকাণ্ড: রাজ্যজুড়ে “উত্তরাখণ্ড বন্ধ”-এর ডাক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এখনও মিলছে লাশ, ২ দেশে নিহত বেড়ে প্রায় ৫০ হাজার

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: তুরস্ক ও সিরিয়ায় গত ৬ ফেব্রুয়ারির ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছুঁতে চলেছে।  জীবিতদের উদ্ধারের আশা ছেড়ে দিলেও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ জারি রয়েছে। সেখানে এখনও মিলছে লাশ।

তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এএফএডি জানিয়েছে, তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা ৪৯ হাজার ছাড়িয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারির পর এখনও পর্যন্ত ১৭ হাজারেরও বেশি আফটার শক্ হয়েছে। এর মধ্যে ৭ হাজার ২০০টিরও বেশি আফটার শক্ ছিল ৫ মাত্রার ওপরে।

গত সোমবার নতুন করে জোড়া ভূমিকম্পে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে তুরস্কে। রাষ্ট্রসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি জানিয়েছে, তারা ভূমিকম্পের ধ্বংসাবশেষ সরাতে এবং ব্যবস্থাপনায় তুরস্ককে সহায়তা করার পরিকল্পনা করেছে।

সংস্থাটি জানায়, এই দুর্যোগে ১১৬ মিলিয়ন থেকে ২১০ মিলিয়ন টন ধ্বংসস্তূপ তৈরি হয়েছে। এই ধ্বংসস্তূপ দিয়ে ৩০ কিলোমিটার বাই ৩০ কিলোমিটারের স্তূপ বানানো যাবে। তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমান সোইলু বলেন, ‘ভূমিকম্পগুলি ১ লক্ষ ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে আঘাত হেনেছিল।

এই এলাকা তিনটি নেদারল্যান্ডসের সমান।’ তুরস্কের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে,  মোট ৯০ হাজার ১৫টি তাঁবু, ১৬৭টি কন্টেইনার এবং ৯৯৯টি মোবাইল হাইজিন ইউনিট সহায়তা হিসাবে পেয়েছে তুরস্ক।

এরই পাশাপাশি সহায়তার অংশ হিসেবে ১৩ লক্ষ ৪৪ হাজার ২৩৪টি কম্বল, ১ লক্ষ ৯৬ হাজার ৫৩৮টি স্লিপিং ব্যাগ, ৭৪ হাজার ৭৫০টি বিছানা, ২৬ হাজার ৬২২টি জেনারেটর, ৫,৭২২ টন জামাকাপড়, ৩,০৬৫ টন স্বাস্থ্যসম্মত চিকিৎসা সামগ্রী এবং ৫,৬৭৮ টন খাদ্য পৌঁছেছে তুরস্কে।