১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রামনবমীতে গোমাংস কেন? ঝাড়খণ্ডে  পাথরবৃষ্টির পাল্টা পুলিশের লাঠিচার্জ

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: রামনবমীর দিনে বাড়িতে গোমাংস কেন  থাকবে? বৃহস্পতিবার এই অভিযোগে ধানবাদের নাসিরুদ্দিন আনসারির বাড়ির বাইরে একত্রিত হয় গ্রামবাসীরা। এরপর চলতে থাকে পাথরবৃষ্টি। তাতেও রাগ না মিটতে বাড়ির বাইরে রাখা জিনিসপত্রগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা।

পিটিয়ে মেরে ফেলার হুমকি আসতে থাকে। প্রাণে বাঁচতে কোনও মতে সপরিবার দৌড়াতে শুরু করেন নাসিরুদ্দিন। তারা পালাতে পারলেও গ্রামবাসীরা

 নাসিরুদ্দিনের ছেলে শাহাবুদ্দিনকে ধরে ফেলে তাকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ শাহাবুদ্দিনকে উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের উপরও পাথরবৃষ্টি শুরু হয়। ভাংচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি।

গ্রামবাসীদের তান্ডব রুখতে বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ।  এই ঘটনায় ৩ পুলিশ কর্মী সহ আহত হয়েছে মোট ৬ জন। নিরসা  থানার অন্তর্গত ভারকুন্ডা এলাকায় এই ঘটনার পর উত্তেজনা ছড়ায়।

এসডিপিও পীতাম্বর সিং খেরওয়ার জানিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।  পুলিশ সুপার রিশমা রমেশান দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

অঙ্কিতা ভাণ্ডারি হত্যাকাণ্ড: রাজ্যজুড়ে “উত্তরাখণ্ড বন্ধ”-এর ডাক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রামনবমীতে গোমাংস কেন? ঝাড়খণ্ডে  পাথরবৃষ্টির পাল্টা পুলিশের লাঠিচার্জ

আপডেট : ৩১ মার্চ ২০২৩, শুক্রবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: রামনবমীর দিনে বাড়িতে গোমাংস কেন  থাকবে? বৃহস্পতিবার এই অভিযোগে ধানবাদের নাসিরুদ্দিন আনসারির বাড়ির বাইরে একত্রিত হয় গ্রামবাসীরা। এরপর চলতে থাকে পাথরবৃষ্টি। তাতেও রাগ না মিটতে বাড়ির বাইরে রাখা জিনিসপত্রগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা।

পিটিয়ে মেরে ফেলার হুমকি আসতে থাকে। প্রাণে বাঁচতে কোনও মতে সপরিবার দৌড়াতে শুরু করেন নাসিরুদ্দিন। তারা পালাতে পারলেও গ্রামবাসীরা

 নাসিরুদ্দিনের ছেলে শাহাবুদ্দিনকে ধরে ফেলে তাকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ শাহাবুদ্দিনকে উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের উপরও পাথরবৃষ্টি শুরু হয়। ভাংচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি।

গ্রামবাসীদের তান্ডব রুখতে বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ।  এই ঘটনায় ৩ পুলিশ কর্মী সহ আহত হয়েছে মোট ৬ জন। নিরসা  থানার অন্তর্গত ভারকুন্ডা এলাকায় এই ঘটনার পর উত্তেজনা ছড়ায়।

এসডিপিও পীতাম্বর সিং খেরওয়ার জানিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।  পুলিশ সুপার রিশমা রমেশান দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।