১৪ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্দুক ঠেকিয়ে প্রেমিকাকে ধর্ষণ কনস্টেবল ও দাদার  

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক পুলিশ কনস্টেবলের। দু’বার অন্তঃসত্ত্বাও হয়ে পড়ে নাবালিকা। তারপরেও বিয়ে করতে নারাজ হয় কনস্টেবল প্রেমিক। পরে বিয়ে করার জন্য চাপ দিলে নিজের দাদার সঙ্গে মিলে নাবালিকাকে অপহরণ করে ওই কনস্টেবল। নাবালিকার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে দাদা ও ভাই মিলে গণধর্ষণও করে। যাতে কারোর সামনে ওই নাবালিকা মুখ না খোলে তার জন্য প্রাণে মারার হুমকিও দেয়। সাহারানপুরের বাসিন্দা ওই তরুণী পুলিশ সুপারকে লিখিত ভাবে এই অভিযোগ জানিয়েছেন।

পুলিশ সুপারকে করা অভিযোগপত্রে তরুণী জানিয়েছেন, গত ২৫ জানুয়ারি তিনি একটি থানায় ঘটনা জানিয়ে অভিযোগ করেন। সেই খবর পেয়ে অভিযুক্ত পুলিশকর্মী মিটমাট করতে চেয়ে তরুণীকে একটি ভুয়ো বিয়ের হলফনামায় সই করান। এর পর তাঁকে নিয়ে যান শামলিতে নিজের দাদার বাড়িতে। সেখানেই এহেন কাণ্ড ঘটান তিনি।

আরও পড়ুন: ‘আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী পুলিশ’, সুইসাইড নোট লিখে আত্মঘাতী মহারাষ্ট্রের তরুণী চিকিৎসক

এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত কনস্টেবল  ও দাদা অধরা রয়েছে। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে স্থানীয় পুলিশ। খুব দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: মেক্সিকান মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ

আরও পড়ুন: ধর্ষণের মামলা তুলতে চাপ, না মানাই তরুণীকে কুপিয়ে খুন উত্তরপ্রদেশে
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

দুর্নীতি দমন আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিভক্ত মত; মামলা যাবে বৃহত্তর বেঞ্চে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বন্দুক ঠেকিয়ে প্রেমিকাকে ধর্ষণ কনস্টেবল ও দাদার  

আপডেট : ৩ মে ২০২৩, বুধবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক পুলিশ কনস্টেবলের। দু’বার অন্তঃসত্ত্বাও হয়ে পড়ে নাবালিকা। তারপরেও বিয়ে করতে নারাজ হয় কনস্টেবল প্রেমিক। পরে বিয়ে করার জন্য চাপ দিলে নিজের দাদার সঙ্গে মিলে নাবালিকাকে অপহরণ করে ওই কনস্টেবল। নাবালিকার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে দাদা ও ভাই মিলে গণধর্ষণও করে। যাতে কারোর সামনে ওই নাবালিকা মুখ না খোলে তার জন্য প্রাণে মারার হুমকিও দেয়। সাহারানপুরের বাসিন্দা ওই তরুণী পুলিশ সুপারকে লিখিত ভাবে এই অভিযোগ জানিয়েছেন।

পুলিশ সুপারকে করা অভিযোগপত্রে তরুণী জানিয়েছেন, গত ২৫ জানুয়ারি তিনি একটি থানায় ঘটনা জানিয়ে অভিযোগ করেন। সেই খবর পেয়ে অভিযুক্ত পুলিশকর্মী মিটমাট করতে চেয়ে তরুণীকে একটি ভুয়ো বিয়ের হলফনামায় সই করান। এর পর তাঁকে নিয়ে যান শামলিতে নিজের দাদার বাড়িতে। সেখানেই এহেন কাণ্ড ঘটান তিনি।

আরও পড়ুন: ‘আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী পুলিশ’, সুইসাইড নোট লিখে আত্মঘাতী মহারাষ্ট্রের তরুণী চিকিৎসক

এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত কনস্টেবল  ও দাদা অধরা রয়েছে। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে স্থানীয় পুলিশ। খুব দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: মেক্সিকান মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ

আরও পড়ুন: ধর্ষণের মামলা তুলতে চাপ, না মানাই তরুণীকে কুপিয়ে খুন উত্তরপ্রদেশে